পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

করাচির জিন্না রোডের শপিং মলে আগুন: মৃত বেড়ে ২৩, নিখোঁজ ৩৮

Jafar It
জানুয়ারি ২০, ২০২৬ ১:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচির এম এ জিন্না রোডে অবস্থিত গুল প্লাজা নামক একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ আগুন লাগায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। এ ঘটনায় এখনো ৩৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন করাচির মেয়র মুর্তজা ওয়াহাব।

পাকিস্তানি গণমাধ্যম ডনের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) করাচির এম এ জিন্না রোডে অবস্থিত গুল প্লাজায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শনিবার রাতে চারতলা এই শপিং মলটিতে আগুন লাগে। প্রায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময়ের চেষ্টার পর রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে ধোঁয়া ছড়ানো আবর্জনা থেকে আবার আগুন ছড়িয়ে পড়ায় সোমবার দমকল বাহিনীকে ফের অভিযান চালাতে হয়। আগুনে ভবনটির একটি অংশ ধসে পড়েছে। মলটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০টি দোকান ছিল।

সারা রাত ঘটনাস্থলে অবস্থান করা মেয়র মুর্তজা ওয়াহাব জানান, উদ্ধারকারী দলগুলো এখন শপিং মলটির বেসমেন্টে তল্লাশি চালাচ্ছে। করাচি জেলা প্রশাসন, জরুরি সেবা সংস্থা ও করাচি মেট্রোপলিটন কর্পোরেশনের (কেএমসি) যৌথ প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ভবনের ছাদ পরিষ্কার করতে ভারী যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধারকারীরা আবর্জনা পরিষ্কার করছে এবং মলটির ছাদে পার্ক করা গাড়িগুলো ক্রেনের মাধ্যমে সরানো হচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে মেয়র ওয়াহাব বলেন, নিখোঁজ সবাইকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। ততদিন কেএমসির সব বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকবে এবং ভারী যন্ত্রপাতিও ঘটনাস্থলে রাখা হবে।

করাচি দক্ষিণ জেলার পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ আসাদ রেজা সোমবার রাতে ডনকে জানান, এখন পর্যন্ত আবর্জনার ভেতর থেকে ২৩টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেহের কেবল কিছু অংশ পাওয়া গেছে।

উদ্ধারকারী সংস্থা ১১২২-এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আবিদ জালাল বলেন, মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখনই নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া দেহাংশ একই ব্যক্তির নাকি আলাদা আলাদা মানুষের—তা ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করা যাবে না।

মেয়র জানান, আগুন নেভানোর কাজ শেষ হলেও এখনো ঠাণ্ডা করার প্রক্রিয়া চলছে। গুল প্লাজার ‘জাইন’ নামের এক দোকানের মালিক বলেন, আগুন লাগার সময় মলের ভেতরে কয়েকশ মানুষ ছিলেন।

“আমাদের চোখের সামনেই দোকানগুলো পুড়ে গেল। মালপত্র বের করার সুযোগই পাইনি। অনেক মানুষ তখন ভেতরে ছিল, আমার কয়েকজন বন্ধুর এখনো কোনো খোঁজ নেই,” বলেন তিনি।

ভবনটিতে প্লাস্টিক, ফোম, কাপড় ও পারফিউমের মতো দাহ্য উপাদান থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি। তিনি সিন্ধু প্রদেশ সরকারকে অঞ্চলজুড়ে থাকা সব বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা বিস্তৃতভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।