পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

চার মামলায় জামিন পেলেন ছোট সাজ্জাদ-স্ত্রী

Md Abu Bakar Siddique
ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

১০ খুনসহ ১৯ মামলার আসামি সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্না কৌশলে চার মামলায় আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ১৫ ও ২২ সেপ্টেম্বর দুই দিন চার মামলায় জামিনের আদেশ দেন হাইকোর্ট। তবে হাইকোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী যথাক্রমে ১৮ সেপ্টেম্বর ও ৫ অক্টোবর জামিন আদেশে স্বাক্ষর করেন। এর প্রায় আড়াই মাস পর ৮ ডিসেম্বর সেই জামিননামাগুলো চট্টগ্রাম আদালতে পৌঁছায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হয়। এ নিয়ে চট্টগ্রামজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সাজ্জাদ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের মো. জামালের ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ, অক্সিজেন ও চান্দগাঁও এলাকায় ‘ছোট সাজ্জাদ’ বা ‘বুড়ির নাতি’ নামে পরিচিত। তিনি হুলিয়া নিয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাকে ধরিয়ে দিতে পুলিশ পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল। এদিকে তার স্ত্রী শারমিন আক্তার তামান্নার বিরুদ্ধে হত্যাসহ আটটি মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিকদের থেকে চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের জামিনের বিষয়টি আড়ালে রাখতে পদে পদে কৌশলের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

এদিকে জামিনের বিষয়টি স্বীকার করে সাজ্জাদের আইনজীবী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কারাবন্দি সাজ্জাদ ও তামান্না চারটি মামলায় জামিন পেয়েছেন। সেই জামিননামা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শাহ সৈয়দ শরীফ বলেন, ছোট সাজ্জাদের তিনটি মামলায় হাইকোর্টের জামিননামা এসেছে। তার স্ত্রী তামান্নার চারটি মামলায় জামিননামা এসেছে। সাজ্জাদ বর্তমানে রাজশাহী এবং তামান্না ফেনী জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তাই কাগজপত্র ওই দুই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট চান্দগাঁও থানার দোকান কর্মচারী শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর সাজ্জাদ ও তামান্নাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। একই দিন একই বেঞ্চে ১৮ আগস্ট পাঁচলাইশ থানার ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলায় তাদেরসহ তিনজনকে জামিন দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ পর ২২ সেপ্টেম্বর পাঁচলাইশ থানার দোকান কর্মচারী মো. ফারুক হত্যা মামলায় এবং একই দিনে আফতাব উদ্দিন তাহসীন হত্যা মামলাতেও তারা জামিন পান। চারটি মামলাতেই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামিদের জামিন দেন। জামিন আবেদনে চারটি মামলাতেই নারী হিসেবে সহানুভূতি পেতে তামান্নার নাম ১ নম্বরে রাখা হয়। সাজ্জাদের নাম রাখা হয় ২ ও ৩ নম্বরে। যদিও আসামির বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় এখনই মুক্তি মিলছে না।

অভিযোগ রয়েছে, তার ভয়ংকর সন্ত্রাসী পরিচয় আড়াল করতেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছিল। সাধারণত হাইকোর্ট থেকে জামিন হলে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মধ্যে জামিননামা কারাগারে পৌঁছানোর কথা। তবে এ ক্ষেত্রে তা হয়নি। পাশাপাশি শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষের চেম্বার জজ আদালতে জামিন স্থগিত চাওয়ার নজির থাকলেও এখানে তা দেখা যায়নি।

এর আগে চলতি বছরের ১৫ মার্চ রাজধানী থেকে সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১০ মে চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় প্রাইভেট কারে গুলি করে জোড়া খুনের ঘটনায় তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত ৫ নভেম্বর প্রকাশ্যে বাজারে সরোয়ার বাবলা নামের এক ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। এ হত্যাকাণ্ডে সাজ্জাদের বিরুদ্ধে কারাগারে বসে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ নভেম্বর সাজ্জাদকে রাজশাহী এবং ১৮ নভেম্বর তামান্নাকে ফেনী জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।