পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

পাকিস্তানের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজা নাদির পারভেজ আর নেই

Sun this Ja ham
জানুয়ারি ২১, ২০২৬ ৩:৫১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পাকিস্তানের সাবেক ফেডারেল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজা নাদির পারভেজ মারা গেছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ফয়সালাবাদে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবরে দেশজুড়ে রাজনৈতিক নেতা ও সামাজিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

মেজর (অব.) রাজা নাদির পারভেজ তার রাজনৈতিক জীবনে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি তিনি পানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন সক্রিয় থাকায় তিনি একজন অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

পাঁচবারের সংসদ সদস্য

রাজা নাদির পারভেজ মোট পাঁচবার পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (এমএনএ) সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে চারবার ফয়সালাবাদ এবং একবার রাওয়ালপিন্ডি থেকে নির্বাচিত হয়ে তিনি দুই এলাকাতেই নিজের শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান প্রমাণ করেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন), পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এবং ইসলামী জামহুরি ইত্তেহাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

শোক ও শ্রদ্ধা

তার মৃত্যুর পর রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেন। অনেকেই দেশের প্রতি তার অবদান এবং সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ ভূমিকার কথা স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানান।

মেজর (অব.) রাজা নাদির পারভেজ খান ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি সেনাবাহিনীর ৬ পাঞ্জাব রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে নওয়াজ শরিফের দ্বিতীয় সরকারের সময় ফেডারেল মন্ত্রী হন।

তিনি পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন এবং সাবেক কোয়েটা কোর কমান্ডার তারিক পারভেজের ভগ্নিপতি ছিলেন। প্রয়াত টিক্কা খান—যিনি ১৯৬৫ সালের রান অব কচ্ছ সংঘর্ষে পাকিস্তানি বাহিনীর নেতৃত্ব দেন— তিনি রাজা নাদির পারভেজকে ‘সাহসী ও বীর সেনা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। সে সময় তিনি একটি গোয়েন্দা অভিযানে একটি ভারতীয় টহলদলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

১৯৬৫ সালের যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি ‘সিতারা-ই-জুরাত’ পান। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে ভারতীয় ফতেহগড় কারাগার থেকে চার সহযোদ্ধার সঙ্গে দুঃসাহসিকভাবে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ‘সিতারা-ই-জুরাত’ লাভ করেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পান।

সূত্র: যুগান্তর

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।