পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

৫টি ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরনের সিদ্ধান্ত : সংস্কারের নামে সরকারের একটি হাতী পোষার শামীলঃ

Md Abu Bakar Siddique
সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৫ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক খেকো নামে খ্যাত এস আলম, নাসা গ্রুপের নিয়ন্ত্রাধীন ৫ টি ইসলামী ব্যাংক যথাক্রমে : ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী , এসআইবিএলকে একীভূত করে ” ইউনাইটেড ইসলামী ব্যাংক” নামে একটি ইসলামী ব্যাংক করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যার পরিশোধিত মূলধনের পরিমান হবে ৩৫২০০ কোটি টাকা। সরকার ২০২০০ কোটি টাকা তাৎক্ষনিক পরিশোধ করে মূলধন সরবরাহ করবে মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে ব্যাংক খাত বিশেষজ্ঞগন সরকারের আবার একটি শ্বেতহস্তী পোষার মত বিষয় হচ্ছে কিনা প্রশ্ন তুলেছেন।

কেননা ব্যাংক খাতের সংস্কারের জন্য সরকারের একদিকে দূরদর্শিতার অভাব রয়েছে অন্য দিকে এটিকে ব্যাংকিং খাতের সংস্কারের নাম জনগনকে দেখানোর জন্য একটি আই ওয়াশ হিসেবে পরিগনিত হচ্ছে। কেননা – বিগত সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা ও লুটপাটের ফলে প্রায় ১৫ থেকে ২০ টি ব্যাংক নাজুক অবস্হার মধ্যে থাকলেও শুধু কতিপয় ইসলামী ব্যাংকগুলোকে নিয়ে একীভূতকরণের পায়তারা লক্ষ্যনীয়। অন্য ব্যাংকগুলোর বিষয়ে কোনো প্রকার কথা শোনা যাচ্ছে না। সরকারের অধীনে যে ব্যাংকগুলো রয়েছে সে সকল ব্যাংকগুলোর মূলধন পর্যাপ্ততার অভাব রয়েছে। বিদ্যমান ব্যাংকগুলোর মূলধনের ঘাটতি পূরনের জন্য সরকার দীর্ঘদিন ধরে অপারগ। এ ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও অর্থ মন্ত্রণালয়। ব্যাংকগুলোতে দীর্দিনের অনিয়ম, দূর্নীতি ও অব্যবস্হাপনার ফলে কার্যত ব্যাংকগুলো তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা হারাচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে আরেকটি সরকারী ব্যাংক তৈরি করে মূলধন সরবরাহ করা কতটুকু যৌক্তিক হবে তা জনমনে প্রশ্ন জাগা অস্বাভাবিক নয়।

তাহলে সমাধানের রাস্তা কি?

সমাধানের রাস্তা অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব গ্রহনের পরপরই দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিয়ে। কোন কোন ব্যাংক দেওলিয়া হয়েছে বা কোন ব্যাংক একীভূত হচ্ছে এমন ধরনের বক্তব্য প্রদান করে ব্যাংকের প্রতি জনগনের আস্থা নষ্ট করেছেন। কোনো সবল ব্যাংকও একসাথে আমানতকারীদের টাকা একসাথে পরিশোধ করতে পারে না- যদিনা ব্যাংকটির উপর জনগনের আস্হা না থাকে। আস্হা তৈরি করার জন্য যে সকল দূরদর্শী পদক্ষেপ নেওয়া যেত তা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

এখন করনীয় কী?
সরকারি ব্যাংক করে জনগনের টাকায় আরেকটা শ্বেতহস্তী পোষা কেন? জনগন কেন করের বোঝা বহন করবে? প্রশাসনের কর্তাদের অব্যবস্হাপনা ও অপেশাদারিত্বের ফল দূর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহন না করে আবারও সরকারের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।
দূর্নীতিবাজ ব্যাংকারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা গ্রহন, অর্থ আত্মসাৎ কারীদের সম্পদ বাজেয়াপ্তকরন ও ব্যাংকিং খাতের সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগনের আস্থা ফিরে আনা সম্ভব। এতে ব্যাংকগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়বে এবং জনগনের অর্থের উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
লোক দেখানো সংস্কারের নামে জনগনের করের টাকা লুটপাটের আরেকটি ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে কিনা ভেবে দেখা উচিত নয়কি?

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।