বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ছয় মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ, এসেছে ১ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ৪:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহে স্বস্তি ফিরিয়ে চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১ হাজার ৮৯৪ কোটি মার্কিন ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৬৭৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২২০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় বেড়েছে। এর মধ্যে আগস্টে প্রবৃদ্ধি ছিল সর্বোচ্চ, ২২ দশমিক ৩ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চে দেশে ৩৭৫ কোটি ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। আগের বছরের মার্চে এসেছিল ৩৩০ কোটি ডলার। ফলে এ সময়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এপ্রিলে প্রবাসী আয় এসেছে ৩১৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

মে মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৪৩ কোটি ডলার। আগের বছরের একই মাসের তুলনায় এ আয় ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। জুনে প্রবাসী আয় প্রায় স্থিতিশীল ছিল। ওই মাসে দেশে এসেছে ২৮১ কোটি ডলার, যেখানে আগের বছরের জুনে এসেছিল ২৮২ কোটি ডলার।

জুলাইয়ে আবারও প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধির ধারা জোরালো হয়। ওই মাসে দেশে এসেছে ২৮৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। আগস্টে এসেছে ২৯৬ কোটি ডলার। আগের বছরের একই মাসে এসেছিল ২৪২ কোটি ডলার। ফলে আগস্টে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২২ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাসসকে বলেন, প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বহিঃখাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। এটি বৈধ ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, প্রবাসীদের জন্য বৈধ পথে অর্থ পাঠানো আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক করতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে। একই সঙ্গে হুন্ডিসহ অবৈধ পথে অর্থ লেনদেন নিরুৎসাহিত করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আরিফ হোসেন খান বলেন, ‘প্রবাসী কর্মী ও তাঁদের পরিবারের বৈধ আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির মধ্যে।’

তিনি বলেন, রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করা, ব্যাংকিং সেবার উন্নয়ন এবং বৈধ বৈদেশিক মুদ্রাবাজারকে আরও শক্তিশালী করার সরকারি উদ্যোগ এ প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখছেন। প্রবাসী আয় বাড়াতে এবং তাঁদের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’

আরিফ হোসেন খান আশা প্রকাশ করেন, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও শক্তিশালী হলে দেশের লেনদেনের ভারসাম্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে এবং বহিঃখাতে আরও স্থিতিশীলতা আসবে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং আর্থিক ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনরুদ্ধারে সরকারের চলমান উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রবাসীকে বৈধ পথে তাঁদের আয় দেশে পাঠাতে উৎসাহিত করবে।

সরকার প্রবাসী কর্মী ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, রেমিট্যান্স সেবা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সহজলভ্য করতে নেওয়া উদ্যোগের ফলে প্রবাসী আয়ের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান ও সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।