স্তন ক্যানসার চিকিৎসায় সচেতনতা বাড়াতে ও তহবিল সংগ্রহে আয়োজিত পিঙ্ক ডে-তে অনুষ্ঠিত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তবে বিরূপ আবহাওয়ায় দুই দফায় কমে ম্যাচের দৈর্ঘ্য। এক পর্যায়ে টি-টোয়েন্টি হয়ে যায় টি-টেন ম্যাচ। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে ক্যারিবিয়ানদের জয় ৬ রানে। নির্ধারিত ১০ ওভারে সফরকারীদের চেয়ে বেশি রান করেও, এই ডিএলএস পদ্ধতিতে হারতে হয় প্রোটিয়াদের। যদিও প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা।
জোহানেসবার্গে টস হয়ে যায় নির্ধারিত সময়ে। তবে মাঠের আশেপাশে বজ্রপাতের কারণে খেলা শুরু হতে এক ঘন্টারও বেশি সময় লেগে যায়। ম্যাচ নেমে আসে ১৬ ওভারে। টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ ওভারে ১ উইকেটে ৬৬ রান করতেই ফের বজ্রপাতের কারণে বন্ধ হয় খেলা। পরে মাচ হয়ে যায় টি-টেন। অধিনায়ক শেই হোপ (২৫ বলে ৪৮) ও শিমরন হেটমায়ারের (২২ বলে ৪৮) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৩ উইকেটে ১১৪ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ডিএলএস পদ্ধতিতে ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রান। নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৮ রান তুলতে পারে স্বাগতিকরা।
রান তাড়ায় প্রথম ওভারেই ১৯ রান তুলে দারুণ শুরু করেন কুইন্টন ডি কক। তবে পরের ওভারেই স্রেফ ২ রানে ফেরেন অধিনায়ক এইডেন মার্করাম। চতুর্থ ওভারে ১৪ বলে ২৮ রানের ইনিংসে আউট হন ডি ককও। ষষ্ঠ ওভারে মোটির তিন বলের মধ্যে সাজঘরে ফেরার আগে দু’টি করে ছক্কায় রোমাঞ্চ বাড়ান রায়ান রিকেলটন ও ডেভাল্ড ব্রেভিস বাড়ান। পরের দুই ওভারে ৩৫ রান তোলেন জর্জে লিন্ডে ও জেসন স্মিথ। নবম ওভারে লিন্ডে ফিরলে পথ হারায় স্বাগতিকরা।
পরের ১০ বলে দরকার ছিল ২৫ রান। ছক্কায় আশা জাগান ত্রিস্তান স্টাবস। শেষ ওভারে দরকার পড়ে ১৬ রান। তৃতীয় বলে স্মিথ বাউন্ডারি মারলেও, শেষ তিনটি বল দারুণ করেন শামার জোসেফ। একটিতে সাজঘরের পথ দেখান স্মিথকে। শেষ দুই বলে লাগতো ৯ রান। সেখানে স্রেফ ১ রানই যোগ করে পারে স্বাগতিক দল।
মানবজমিন

