পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

শরীফুলকে আগেই বলেছিলেন এক মাঠকর্মী

Sun this Ja ham
জানুয়ারি ১৬, ২০২৬ ৭:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

প্রতি ম্যাচের আগেই পেসাররা নিজেদের রান–আপের দূরত্ব ঠিক করে নেন। আজ নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সেটাই করছিলেন শরীফুল ইসলাম। ঠিক তখনই এক মাঠকর্মী তাঁকে মজার ছলেই বলে বসেন, আজ নাকি তিনি ম্যাচে পাঁচ উইকেট পাবেন। কথাটাকে খুব একটা গুরুত্ব দেননি শরীফুল। কারণ, টি–টোয়েন্টি ক্রিকেটে এর আগে কখনোই পাঁচ উইকেট নেওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল না তাঁর। সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়েও পাঁচ উইকেট ছিল মাত্র একবার।

কিন্তু বোলিং শুরু হওয়ার পর দৃশ্যপট বদলাতে থাকে দ্রুতই। একের পর এক ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দিতে থাকেন শরীফুল। আর একসময় সত্যিই ধরা দেয় সেই কাঙ্ক্ষিত পঞ্চম উইকেট। শুধু পাঁচ উইকেটই নয়, এদিন নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংটাই করেছেন তিনি। চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে ২৩ বলের স্পেলে ১৮টিই ছিল ডট, খরচ করেছেন মাত্র ৯ রান, তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এই পারফরম্যান্স টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে কম রানে পাঁচ উইকেট নেওয়ার নতুন রেকর্ডও।

শরীফুলের বিধ্বংসী বোলিংয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে পাঁচ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম। ম্যাচসেরার পুরস্কার ওঠে শরীফুলের হাতেই। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি স্মরণ করেন সেই ম্যাচ–পূর্ব মুহূর্তের গল্প,
‘এক মাঠকর্মী ভাইয়া আমাকে বলেছিল, “কেন জানি মনে হচ্ছে আপনি আজকে পাঁচ উইকেট পাবেন।” আমি বলেছি, ভাই, এটা তো এত সহজ না। তবে আল্লাহ দিলে হতে পারে। খেলতে নামার পর আমি শুধু ভালো বল করার চেষ্টা করেছি। শেষ উইকেট পর্যন্ত কখনো ভাবিনি পাঁচ উইকেট পাব। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ হয়তো কপালে লিখে রেখেছিলেন—হয়েই গেছে।’

এই ম্যাচে শরীফুলের বোলিংয়ের পাশাপাশি তাঁর উদ্‌যাপনও নজর কেড়েছে অনেকের। নোয়াখালীর ব্যাটসম্যান হাসান ইশাখিলকে আউট করার পর মাথার পেছনে হাত রেখে কোমর দুলিয়ে নাচতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

উদ্‌যাপনের পেছনের গল্পটাও খোলাসা করেন শরীফুল,
‘এ রকম কোনো পরিকল্পনা ছিল না। আমি মাথায় হাত দিয়েছিলাম। তখন নাঈম (মোহাম্মদ নাঈম) এসে বলল, “ড্যান্স দে, ড্যান্স দে।” ও আমার খুব ভালো বন্ধু। আমরা অনূর্ধ্ব–১৯ থেকেই একসঙ্গে খেলছি। ঝোঁকের মাথায় তালে তালে হয়ে গেছে।’

পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়ায় শরীফুল আনন্দিত আরেকটি ভিন্ন কারণেও। তিনি বলেন,
‘আমি আগেই বলেছিলাম, যত দিন ক্রিকেট খেলব, ম্যান অব দ্য ম্যাচ হলে সেই টাকাটা আমাদের এলাকার অভাবী মানুষদের দেব। আজ সেটা করতে পারব ভেবে খুব ভালো লাগছে।’

আজকের ম্যাচের আগে বিপিএলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন শরীফুল। পাঁচ উইকেট যোগ হওয়ায় এখন ৮ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছেন তিনি। এক ম্যাচ বেশি খেলে ১৫ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নোয়াখালীর পেসার হাসান মাহমুদ।

টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত শীর্ষে থাকতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নে বরাবরের মতোই বিনয়ী শরীফুল,
‘এখন পর্যন্ত ১৮ উইকেট পেয়েছি। সামনে উইকেট না–ও পেতে পারি। আমার কাজ শুধু খেলতে থাকা। হলে আলহামদুলিল্লাহ, না হলে কোনো আফসোস নেই।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।