পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

দিনাজপুরে মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে সাফল্য

Md Abu Bakar Siddique
অক্টোবর ২, ২০২৫ ১২:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় মাচা পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে এবার চাষিরা লাভবান হয়েছেন। মাত্র ৭৩ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে তরমুজ উৎপাদন সম্ভব হওয়ায় কৃষকরা স্বল্প সময়ে ভালো আয় করছেন। কৃষি বিভাগ মনে করছে, মাচা পদ্ধতি জনপ্রিয় হলে এ অঞ্চলের কৃষি ও অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ একর ৬০ শতক জমিতে মাচা তরমুজ চাষ হয়েছে। এ প্রকল্পের অংশ হিসেবে কৃষকদের বীজ, সার ও আংশিক নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে কৃষি বিভাগ ‘মার্সেলো গোল্ড’ ও ‘রঙ্গিলা’ জাতের তরমুজের বীজ সরবরাহ করেছে।গোয়ালডিহি গ্রামের চাষি রবিউল ইসলাম জানান, তিনি ২০ শতক জমিতে ‘মার্সেলো গোল্ড’ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। মাচা তৈরি ও পরিচর্যার জন্য প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এর মধ্যে বাঁশের মাচা তৈরি হয়েছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকায়, কীটনাশক খরচ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার টাকা, বাকি খরচ এসেছে শ্রমিক ও সার বাবদ।

রবিউল ইসলাম বলেন, ‘৭৫ দিনের মাথায় আমি প্রথম দফায় ১৫ থেকে ১৬ মণ তরমুজ বিক্রি করেছি। প্রতি মণ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা দাম পাওয়ায় ভালো লাভ হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আরও ১০ মণ এবং তৃতীয় দফায় কিছুটা তরমুজ উত্তোলনের আশা করছি। সব মিলিয়ে ২০ শতক জমি থেকে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি সম্ভব। অল্প সময়ে এত লাভ আমাদের পরিবারের জন্য স্বস্তি এনেছে।’

রানীরবন্দর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘একসময় দিনাজপুরে তরমুজ বাইরে থেকে আনতে হতো। এখন খানসামা ও আশপাশের উপজেলায় মাচা তরমুজ চাষ হওয়ায় আমরা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দামে কিনতে পারছি। বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। ফলে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছি।’ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘খানসামায় দুই একর ৬০ শতক জমিতে মাচা করে তরমুজ চাষ হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। পরে সার, বীজ ও নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মাচা তৈরিই ছিল চাষিদের বড় খরচ। তবে এভাবে চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় আগামী বছর আরও বড় পরিসরে মাচা করে তরমুজ চাষের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ হবে।’ খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান বলেন, ‘দিনাজপুরের খানসামা এখন কৃষিসমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত হয়েছে। সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি নতুন সংযোজন হয়েছে মাচা তরমুজ চাষ। আমরা বেশ কয়েকটি প্লট ঘুরে দেখেছি- চাষিরা সফল হয়েছেন। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা ও মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণের ফলেই এ সাফল্য এসেছে। তরমুজ এখন এ অঞ্চলের একটি সম্ভাবনাময় ফসল। ভবিষ্যতে আরও নতুন ফসল যুক্ত করে কৃষিতে সমৃদ্ধি আনা হবে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।