https://waltonbd.com/refrigerator-freezer
পত্রিকার পাতা
ঢাকারবিবার , ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস, ৯ উইকেটে জিতল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ১৬, ২০২৬ ৬:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নাজমুল হোসেন শান্ত চেয়েছিলেন, ডারউইনে তাঁর দলের খেলোয়াড়েরা পাঁচ দিন ভালো খেলুক। তাঁর সেই চাওয়াকেও ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। মাত্র চার দিনেই ১১তম সেশনে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছে তারা। ব্যাটে-বলে নিখুঁত পারফরম্যান্সের প্রদর্শনী করে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ৯ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ।

টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশের কাছে শীর্ষ দল অস্ট্রেলিয়ার এই হার হজম করা কঠিনই হবে। তবে বাংলাদেশের জন্য এই অর্জন বহুদিন উপভোগ করার মতো। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয় এমনিতেই কঠিন। তার ওপর বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণের চার সদস্যের প্রত্যেকেরই ৩০০-এর বেশি টেস্ট উইকেট রয়েছে। এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের মাটিতে এই সাফল্য সত্যিই অসাধারণ।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হলো। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একটি টেস্ট জয়ের জন্য দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষা পুরোপুরি সার্থক হয়েছে। দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। ফলে এই টেস্ট সিরিজ আর হারছে না টাইগাররা।

প্রথম দিনেই জয়ের ভিত

২৩ বছর আগে ডারউইন ও কেয়ার্নসে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ। দুই দশকেরও বেশি সময় পর দ্বিতীয়বারের মতো অস্ট্রেলিয়া সফরে যায় তারা। এই ম্যাচে বাংলাদেশ লড়াই করতে পারলেই যেন প্রত্যাশা পূরণ হতো। কিন্তু ১৩ আগস্ট প্রথম দিনেই পেসাররা যেভাবে দাপট দেখিয়েছেন, তাতেই তৈরি হয়ে যায় অবিস্মরণীয় জয়ের ভিত।

দুই সেশনেরও বেশি সময় অপ্রত্যাশিতভাবে বাংলাদেশের বোলারদের দাপট চলে। দুইশ রানের আগেই অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। দৃশ্যটি যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না।

অবশ্য ধারণা করা হয়েছিল, মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউডের শক্তিশালী বোলিং লাইনআপও বাংলাদেশের ব্যাটারদের ওপর একইভাবে চড়াও হবে। কিন্তু সেটি হয়নি। ব্যাটিংয়েও দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ।

তানজিদ হাসান তামিম করেন ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের হাফ সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে ওঠে।

এই তিন ব্যাটারের অনবদ্য ব্যাটিং এবং টেলএন্ডারদের উল্লেখযোগ্য অবদানে প্রথম ইনিংসে ২২৮ রানের বড় লিড নেয় বাংলাদেশ। বিদেশের মাটিতে প্রথম ইনিংসে এর আগে এত বড় লিড কখনো পায়নি তারা।

দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখে বাংলাদেশ

২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। চাপ নিয়েই ব্যাটিং শুরু করে তারা। এবারও হাসান মাহমুদ জোড়া আঘাতে স্বাগতিকদের চাপে ফেলেন।

প্রথম ইনিংসে স্টিভ স্মিথ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিন বাংলাদেশের বোলারদের সামনে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। দেশের মাটিতে প্রথম সেঞ্চুরি করে দলকে লিড এনে দেন গ্রিন। তবে বল হাতে মেহেদী হাসান মিরাজ দেখান ঘূর্ণি জাদু। তাতে অস্ট্রেলিয়ার লিড বড় হয়নি। ফলে বাংলাদেশের লক্ষ্যও নাগালের মধ্যেই থাকে।

প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান তানজিদ হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু করতে পারেননি। তবে বিপদ বাড়তে দেননি সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হক। জয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সহজেই সেরে নেন তাঁরা।

প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশকে ৫৪ রানে অলআউট করার স্মৃতি অস্ট্রেলিয়ার কিছুটা মনোবল জুগিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু মূল ম্যাচে তা কোনো কাজে আসেনি। ৫৭ রানের লক্ষ্য অনায়াসে পেরিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখায় বাংলাদেশ।

মুমিনুলের চারেই জয়

জয়টাও এসেছে নায়কোচিতভাবে। ১৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে বেউ ওয়েবস্টারকে চার মেরে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মুমিনুল হক।

সাদমান ইসলামের সঙ্গে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। সাদমান অপরাজিত ছিলেন ২৫ রানে।

দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হয়েছেন হাসান মাহমুদ।

কীশব্দ: বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ডারউইন টেস্ট, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশ, হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, সাদমান ইসলাম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।