পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

জয়পুরহাটে আলু মৌসুমে সারের সংকটে কৃষক

Md Abu Bakar Siddique
ডিসেম্বর ৬, ২০২৫ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাটের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে আলু চাষ। কিন্তু মৌসুম শুরু হতেই সারের কৃত্রিম সংকটে পড়েছেন কৃষকরা। অভিযোগ, কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে সার আটকে বেশি দামে বিক্রি করছেন। কৃষকদের দাবি, দ্রুত সিন্ডিকেট ভেঙে বাজার নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।জানা গেছে, আলু উৎপাদনে দেশের অন্যতম জেলা জয়পুরহাট। গত মৌসুমে এখানে ১০ লাখ টনের বেশি আলু উৎপাদন হয়েছিল। তখন দাম না পেয়ে লোকসানে পড়েছিলেন কৃষকরা। এবার লাভের আশায় মাঠে মাঠে প্রস্তুতি নেওয়া হলেও সারের সংকটে চাষিরা বিপাকে।কৃষকদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার আশায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সার পেতে দোকানে দোকানে ঘুরেও পাওয়া যাচ্ছে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতি বস্তায় ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়া হচ্ছে। অনেকেই বেশি দামে সার বিক্রি করলেও দিচ্ছেন না স্লিপ। আবার কেউ কেউ বাধ্য করছেন অন্য সার নিতে।

সরকার নির্ধারণ করেছে ৫০ কেজির টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি ১ হাজার টাকা, ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা ও ইউরিয়া ১ হাজার ৩৫০ টাকা। কৃষকদের অভিযোগ, ইউরিয়া ছাড়া অন্য তিন সার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে মিলছে। সংকটের কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে কিনছেন। বরাদ্দ বাড়ানো ও বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন তারা।জেলা কৃষি অফিস জানায়, এবার ৩৯ হাজার হেক্টর জমিতে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। নভেম্বর মাসে জেলায় টিএসপি বরাদ্দ আসে ৩ হাজার ৩০০ টন, ডিএপি ৪ হাজার ৫১৬ টন ও এমওপি ৫ হাজার ৮৯৪ টন। ডিসেম্বর মাসে আসবে টিএসপি ১ হাজার ৩০০ টন, ডিএপি ৩ হাজার ৯২১ টন ও এমওপি ২ হাজার ৪৯৪ টন।

উত্তর পাকুরিয়া গ্রামের কৃষক সুজাউল হোসেন বলেন, ‘দোকানে গেলেই বলছে সার নেই। কিন্তু ২০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিলেই দিচ্ছে। টাকা বেশি নিলে স্লিপ দিচ্ছে না। আমাদের আলু চাষ করতেই হবে, তাই বাধ্য হয়ে কিনছি।’ ইটাখোলা এলাকার মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ডিলাররা সার লুকিয়ে রাখছে। বেশি টাকা দিলেই দিচ্ছে। আমরা কৃষকরা একেবারেই অসহায়।’

সদরের আমদই গ্রামের আতোয়ার রহমান বলেন, ‘এমওপি ও ডিএপি সারের খুব সংকট। আমার ২০ বস্তা লাগবে। তিন দিন ঘুরে পেয়েছি মাত্র চার বস্তা। তাহলে আলু চাষ করব কীভাবে?’

অভিযোগ অস্বীকার করে হিচমী বাজারের ডিলার মেসার্স মমতাজ উদ্দীন মণ্ডলের ম্যানেজার তপন কুমার সাহা বলেন, ‘বরাদ্দ কম থাকায় চাহিদামতো সার দিতে পারছি না। পাঁচ বস্তার জায়গায় দুই বস্তা হলেও দিচ্ছি। বরাদ্দ বাড়ালে সমস্যা কমবে।’

ধারকী বাজারের ডিলার রুবেল প্রধান বলেন, ‘আমরা সরকারি দামেই বিক্রি করছি। কৃষকদের চাহিদা বরাদ্দের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। তাই আমরা দুর্বল অবস্থায় আছি। সরকার বরাদ্দ বাড়ালে সবাই সার পাবে।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘জেলায় সারের সংকট নেই। কৃষকরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সার ব্যবহার করছেন। কেউ বেশি দামে বিক্রি করলে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষক সার না পেলে উপজেলা কৃষি অফিসকে জানাতে পারেন। আমরা ব্যবস্থা করে দেব।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।