দেশ পরিচালনায় সরকারের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে জনগণের মনোভাব মিশ্র। এক সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৪৯ শতাংশ নাগরিক সরকারের শাসনব্যবস্থা নিয়ে ‘কিছুটা সন্তুষ্ট’। অন্যদিকে মাত্র ৫ শতাংশ বলেছেন তাঁরা ‘অত্যন্ত সন্তুষ্ট’।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফলাফল সরকারের প্রতি জনগণের আস্থার একটি সতর্ক, সীমিত ও দ্বিধাগ্রস্ত চিত্র তুলে ধরে।
জরিপে অংশ নেওয়া অনেকেই জানান, অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা ও প্রযুক্তি-সেবায় অগ্রগতি তারা দেখছেন ঠিকই, তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, চাকরির বাজার, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে তাদের অসন্তোষ রয়ে গেছে।
এক তরুণ উদ্যোক্তা বলেন, “সিস্টেমে কিছু পরিবর্তন এসেছে, কিন্তু ব্যবসা করার পরিবেশ এখনও স্বচ্ছ নয়। তাই খুব বেশি সন্তুষ্ট হওয়া যায় না।”
কেন সন্তুষ্টি এত কম
বিশ্লেষকদের মতে—
-
অর্থনৈতিক চাপে মধ্যবিত্তের সংকট
-
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা
-
মূল্যস্ফীতি ও আয়-ব্যয়ের বৈষম্য
-
সেবাখাতে জবাবদিহির ঘাটতি
এসব কারণে সন্তুষ্টির মাত্রা খুব বেশি বাড়তে পারেনি।
নাগরিকদের প্রত্যাশা
জরিপে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ সরকারের প্রতি আস্থা বজায় রাখতে চান, তবে এর জন্য প্রয়োজন—
-
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি
-
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ
-
কর্মসংস্থানে বাস্তব অগ্রগতি
-
সরকারি সেবায় দুর্নীতি হ্রাস
সব মিলিয়ে, জনমতের চিত্র বলছে—আস্থা আছে, কিন্তু অনিশ্চয়তাও প্রবল। জনগণ চান দৃশ্যমান পরিবর্তন, বাস্তব উন্নতি এবং নীতিনির্ধারণে আরও কার্যকর ভূমিকা।

