সামরিক উপায়ের চেয়ে অর্থনৈতিক উপায়ে ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ প্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে আগামী অন্তত দুই মাস ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর ‘কোয়ারেন্টাইন’ কার্যকর করতে নির্দেশ দিয়েছে হোয়াইট হাউস।
যার মাধ্যমে দেশটির সামরিক বাহিনী ভেনেজুয়েলার তেলকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন বা অবরুদ্ধ করে দেবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, কারাকাসের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন এই মুহূর্তে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন, ‘সামরিক হস্তক্ষেপের বিকল্প এখনো রয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস তার ফলাফল অর্জনে প্রথম ধাপে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগকেই গুরুত্ব দিচ্ছে।’
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ‘এ পর্যন্ত নেওয়া পদক্ষেপগুলো মাদুরোর ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছরের জানুয়ারির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দাবির সঙ্গে উল্লেখযোগ্য ছাড়ে রাজি হবে ভেনেজুয়েলা। অন্যথায় একটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে।’
ট্রাম্প ইতোমধ্যে কয়েকবার ভেনেজুয়েলার ভেতরে মাদক অবকাঠামোতে স্থলভিত্তিক বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন। দেশটিকে লক্ষ্য করে গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-কে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। গত সোমবার ট্রাম্প বলেন, ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়াই দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর জন্য ‘বুদ্ধিমানের কাজ’ হবে।
বর্তমানে ক্যারিবীয় অঞ্চলে একটি বিমানবাহী রণতরী, ১১টি যুদ্ধজাহাজ, বেশকিছু এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও ১৫ হাজারেরও বেশি সেনা সদস্য মোতায়েন করেছে পেন্টাগন।
সূত্র: রয়টার্স

