গত সাত মাসে একজনও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকেনি বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে এই দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, গত কয়েক মাসে একজনও বিদেশি অবৈধভাবে আমেরিকায় ঢোকেনি। তার কথায়, ‘‘গত সাত মাস ধরে, আমাদের দেশে কোনও অবৈধ অভিবাসীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সকলেই বলেছিল এটা একেবারেই অসম্ভব। কিন্তু আমরা সেটা করে দেখিয়েছি। আপনাদের মনে আছে, যখন জো বাইডেন বলেছিলেন- সীমান্ত বন্ধ করতে কংগ্রেসের আইন পাস করা উচিত? আসলে আমাদের আইনের প্রয়োজন ছিল না। আমাদের শুধু একজন নতুন প্রেসিডেন্টের প্রয়োজন ছিল। আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ সীমান্ত পেয়েছি, কিন্তু দ্রুত সেটিকে ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সীমান্তে পরিণত করেছি আমরা।’’
ট্রাম্প আরও দাবি করে বলেন, শুল্কের ভয় দেখিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একের পর এক যুদ্ধ থামিয়েছি। এভাবে আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়াও ট্রাম্প বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যও শুল্কই দায়ী। কারণ, আমদানি শুল্ক এড়াতে মার্কিন মুলুকে ফিরেছে সংস্থাগুলো। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অটোমোবাইলের মতো খাতেও ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, যা ‘আমেরিকান ইতিহাসে আগে কখনও দেখা যায়নি’। শুধু তা-ই নয়, ‘বড় ও সুন্দর বিল’ আসার পর থেকে বখশিস, অতিরিক্ত সময় কাজের অর্থ বা সামাজিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত সুবিধাগুলোর উপর কোনও কর চাপানো হয়নি। ফলে বার্ষিক ১১,০০০ থেকে ২০,০০০ মার্কিন ডলার সাশ্রয় করতে পারবে পরিবারগুলো। পাশাপাশি, মার্কিন সেনাদের জন্য এককালীন ১৭৭৬ মার্কিন ডলার ভাতা ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। ১৪.৫ লাখেরও বেশি সেনা বড়দিনের আগেই প্রাপ্য অর্থ পেয়ে যাবেন। ট্রাম্পের দাবি, এই অর্থও নাকি এসেছে শুল্ক নীতি থেকেই।
সূত্র: আল-জাজিরা

