বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ২৪শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

মেয়েরা হুডি পরতে পারবে কি না, প্রশ্নে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

ধর্ম ডেস্ক
জানুয়ারি ২১, ২০২৫ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মেয়েদের জন্য হুডি এবং এ জাতীয় পোশাক পরা জায়েজ। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ।

ভিডিওতে দেখা গেছে, ডুয়েটের কোনো এক নারী শিক্ষার্থী শায়খ আহমাদুল্লাহকে প্রশ্ন করেন, মেয়েদের জন্য হুডি পরা জায়েজ হবে কি না? প্রশ্নের জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন—

পৃথিবীতে যত সৃষ্টি বা উপকরণ আছে নারী-পুরুষের জন্য তা ব্যবহারের অফুরন্ত সুযোগ দিয়েছেন আল্লাহ তায়ালা। বেশির ভাগ জিনিসের ক্ষেত্রে হারাম কথাটি শুনতে শুনতে আমাদের মনে যেকোনো কাজের আগে তা হারাম নাকি হালাল এ নিয়ে প্রশ্ন জাগে। যেমন হুডি পরা নিয়েও প্রশ্নটি সামনে এসেছে।

তিনি বলেন, আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা হারামের তালিকা বা বিবরণ দিয়েছেন। কিন্তু তিনি হালালের কোনো তালিকা দেননি। হারামের তালিকা দেওয়ার কারণ হলো, নির্বাচিত কিছু জিনিস হারাম। এর বাইরে বাকি জিনিসগুলো হালাল।

তিনি বলেন, ইসলামী ফিকহের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মানুষের জন্য সৃষ্টি জগতের সব হালাল, শুধু যেগুলো আল্লাহ তায়ালা নিষেধ করছেন তা ছাড়া বাকি সবই হালাল।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, কোরআনে আল্লাহ তায়ালা যা হারাম বলেছেন এর বাইরে যা আছে সবই হালাল। ঠিক একইভাবে পোশাকের ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা কিছু মূল নীতি দিয়েছেন। যেমন ছেলেরা টাখনুর নিচে পোশাক পরবে না।

ইসলামী বিধানের এই মূলনীতি অনুসরণ করে কেউ চাইলে হুডি, জামা, চাদর, কানটুপি যা ইচ্ছা তাই পরিধান করতে পারবেন। ইসলামী শরিয়ত এক্ষেত্রে ব্যক্তিকে অবারিত স্বাধীনতা দিয়ে রেখেছে। এই মূলনীতির আলোকে নারীরা চাইলে হুডি পরতে পারবেন। এতে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা নেই।

তিনি আরও বলেন, কোরআনে আল্লাহ তায়ালা রক্ত, মৃত প্রাণী, শুকর হারাম করেছেন। রক্ত ক্ষতিকর এজন্য তা হারাম। তবে শূকর কেন হারাম, তা আমাদের বুঝে আসে না। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালার সব বিধান বা নির্দেশ আমাদের বুঝা জরুরি নয়। আল্লাহর সব নির্দেশের যথার্থতা যদি আমি বুঝে পালন করি এবং যদি ব্যাপারটা এমন হয় যে, আমি বুঝলে ইসলামের বিধান মানবো, না বুঝলে মানবো না, তাহলে আল্লাহ তায়ালাকে মানা হলো না, নিজের বিবেকের অনুসরণ করা হলো।

জনপ্রিয় এই ইসলামী আলোচক বলেন, রাসূল সা. এর বর্ণিত সব নির্দেশ তাৎক্ষণিক বুঝা জরুরি নয়। কোনোটা তাৎক্ষণিক প্রতিফলিত হবে, কোনোটা ৫০০ বছর আবার কোনোটা ১ হাজার বছর পরে প্রতিলিত হবে। অনেক হাদিস শুনলে মনে হয় যেন তিনি তা বর্তমান সময়ের জন্য বলেছেন। করোনার লকডাউনের সময় তা আমরা খেয়াল করেছি। তিনি (রাসূল সা.) বলেছিলেন, কোনো এলাকায় মহামারী দেখা দিলে কেউ যেন সেখান থেকে বাইরে না যায় এবং ভেতরে প্রবেশ না করে। লকডাউনের সঙ্গে হুবহু মিলে যায় এই হাদিসের বাণী।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলামী বিধানমতে, অজুর সময় হাত তিনবার কব্জিসহ ধুতে হয়। আমরা দেখেছি, করোনার সময় ডাক্তাররা জীবণুমুক্ত থাকার জন্য ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে ভালো করে হাত ধুতে বলেছেন। অজুতে তিনবার কব্জিসহ হাত ধোয়ার বিষয়টি ডাক্তারের বলা ২০ সেকেন্ডের সঙ্গে মিলে যায়। এজন্য ইসলামের সব বিধান সবসময় তাৎক্ষণিক বুঝা জরুরি নয়। বরং তা মেনে চলা জরুরি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।