বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকামঙ্গলবার , ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

রমজানে রাসুলুল্লাহ (সা.) যেভাবে কাটাতেন: দোয়ার সুবর্ণ সুযোগ

Main Admin
মার্চ ৭, ২০২৫ ৩:২৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘প্রার্থনাকারী যখন আমার কাছে প্রার্থনা করে, আমি তার প্রার্থনায় সাড়া দেই। (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৬)রমজান মাস দোয়া কবুলের মাস। দোয়া কবুলের সুবর্ণ সুযোগের মাস। যদিও বছরের অন্য সব মাসেও আল্লাহতায়ালা বান্দার দোয়া কবুল করেন। তদুপরি রমজান মাসে দোয়া কবুলের বিশেষত্ব রয়েছে। এ মাসে এমন কিছু মুহূর্ত রয়েছে, যখন দোয়া কবুল হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেছেন, ‘তিন শ্রেণির ব্যক্তির দোয়া সর্বাধিক কবুল করা হয়— ১. রোজাদারের দোয়া, ২. নিপীড়িতের দোয়া এবং ৩. মুসাফিরের দোয়া।’ (বাইহাকি : হাদিস নং- ৭২০৫।)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘অবশ্যই আল্লাহতায়ালা রমজান মাসের প্রতিদিন ও রাতে অসংখ্য ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এবং প্রত্যেক মুমিন বান্দার একটি করে দোয়া কবুল করেন।’ (মুসনাদে আহমাদ : হাদিস নং- ৭৪৫০।)দোয়া কবুলের জন্য ইফতারের পূর্বমুহূর্ত খুবই মূল্যবান। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন, ‘রমজানের দুটি সময় দোয়া কবুল হয়। ১. ইফতারের আগে, ২. রাতের শেষ তৃতীয়াংশে।’ (ইবনে মাজাহ : হাদিস নং- ১৭৫২; বুখারি : হাদিস নং- ১১৪৫।)

এ ছাড়া রাতের শেষাংশেও দোয়া কবুল হয়। এ সময় গুরুত্বসহকারে দোয়া করতেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি বলেছেন, ‘রাতের শেষ তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে আমাদের প্রতিপালক পৃথিবীর আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন— কে আমাকে ডাকবে আমি তার ডাকে সাড়া দেব, কে আমার কাছে চাইবে আমি তাকে দান করব, কে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে আমি তাকে ক্ষমা করব।’ (বুখারি, হাদিস নং-১১৪৫)।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজান মাসে চারটি কাজ বেশি করতে বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘তোমরা রমজান মাসে চারটি কাজ বেশি বেশি করো। এর মধ্যে দুটি কাজ এমন- যা করলে তোমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন। আর অপর দুটি কাজ এমন, যা না করে উপায় নেই। যে দুটি কাজে তোমাদের প্রতিপালক খুশি হন, তা হলো- কালিমা তাইয়েবা পাঠ করা ও ইস্তিগফার করা। আর যে দুটি কাজ না করে উপায় নেই, তা হলো- তোমরা আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করো এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি কামনা করো।’ (ইবনে খুজাইমা: হাদিস নং- ১৮৮৭)

এ ছাড়া শবেকদর প্রাপ্ত হলে একটি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একবার আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! লাইলাতুল কদর কোন রাতে আমি যদি তা বুঝতে পারি, তা হলে আমি কী দোয়া পড়ব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি বলবে, বাংলা উচ্চারণ-আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি। বাংলা অর্থ-হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি: হাদিস নং- ৩৫১৩; ইবনে মাজাহ হাদিস নং- ৩৮৫০)

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।