চিকিৎসাবিজ্ঞানে (ফিজিওলজি বা মেডিসিন) ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে কার্ল ডেইসেরথ, পিটার হেগেম্যান ও গেয়র্গ নাগেলকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি। ‘আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপটোজেনেটিক্স সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য’ তাঁদের এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানবিষয়ক নোবেল কমিটির সেক্রেটারি-জেনারেল থমাস পার্লম্যান স্টকহোম থেকে ২০২৬ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞানের নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে আজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টা এবং বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
১৯০১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১১৭ বার চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে এবং এতে মোট ২৩৪ জন বিজয়ী হয়েছেন।
নোবেল পুরস্কার কমিটির ওয়েবসাইট নোবেলপ্রাইজ ডটঅর্গ ও ইউটিউব চ্যানেলে নোবেলজয়ীদের নাম সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
প্রথা অনুযায়ী প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা শুরু হয়। প্রথম দিনে ঘোষণা করা হয় চিকিৎসাশাস্ত্রের নোবেল পুরস্কারজয়ীর নাম। এরপর ছয়টি বিভাগে ছয় দিন নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ১৯০১ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে। সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর পাঁচ বছর পর থেকে তাঁর নামে এবং রেখে যাওয়া অর্থে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ১৯৬৯ সালে এর সঙ্গে অর্থনীতি যুক্ত হয়।
প্রতিবছর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী ১০ ডিসেম্বর বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে পুরস্কার বিজয়ীরা একটি স্বর্ণপদক, সনদসহ একটি ডিপ্লোমা এবং বর্তমানে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পান।
নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রতিবছর ৩০০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর যাচাই-বাছাই শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
১৯০১ সালে জার্মান জীববিজ্ঞানী এমিল ফন বেরিং ডিপথেরিয়া রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর সিরাম থেরাপি বিষয়ে গবেষণার জন্য প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
১৯২৩ সালে জি. ব্যানটিং সবচেয়ে কম বয়সে, অর্থাৎ ৩১ বছর বয়সে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান। আর ১৯৬৬ সালে পেটন রুস সবচেয়ে বেশি বয়সে, অর্থাৎ ৮৭ বছর বয়সে, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান।


