আসন্ন শীত মৌসুমকে ঘিরে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার দেখা যাচ্ছে। পাহাড়, সমুদ্র ও বনভূমি ঘেরা জনপ্রিয় পর্যটন এলাকাগুলোতে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি ভ্রমণপ্রেমীদের আগ্রহ বেড়েছে বহুগুণে।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন জানিয়েছে, কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, সিলেট, বান্দরবান ও সুন্দরবনে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভ্রমণ মৌসুমে আগাম হোটেল বুকিং বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (TOAB) সভাপতি বলেন, “রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে এ বছর পর্যটক সংখ্যা রেকর্ড ছাড়াতে পারে।”
শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ার সুযোগে দেশীয় পর্যটক ছাড়াও প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও চীন থেকে পর্যটক আগমনের প্রবণতা বাড়ছে।
এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন পর্যটন এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা, যোগাযোগ ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিশেষ আকর্ষণ
-
কক্সবাজারের সৈকতে ‘উইন্টার বিচ ফেস্ট ২০২৫’ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।
-
সুন্দরবনে শীতকালীন ‘হেরিটেজ ও ইকো ট্যুরিজম’ প্রোগ্রাম ঘোষণা করেছে বন বিভাগ।
-
সিলেট ও সাজেক ভ্যালিতে ‘কালচারাল ফেস্টিভ্যাল’ ও ‘অ্যাডভেঞ্চার ট্যুর’ চালু হচ্ছে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে।
বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড আশা করছে, এ মৌসুমে পর্যটন খাত থেকে আয় হবে প্রায় ১,২০০ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি।


