বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকারবিবার , ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

কিডনি ড্যামেজ হওয়ার ৬ প্রাথমিক লক্ষণ, অবহেলা করলেই বিপদ

পত্রিকার পাতা ডেস্ক
অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কিডনির ক্ষতি প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত সহজে বোঝা যায় না। ফলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে (সিকেডি) আক্রান্ত হওয়ার আগেই এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনতে পারা গুরুত্বপূর্ণ। এসব লক্ষণ উপেক্ষা করলে কিডনি ফেইলিওরের মতো গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে আগেভাগে সতর্কসংকেতগুলো শনাক্ত করতে পারলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া সহজ হয়। কিডনির সমস্যার প্রাথমিক ছয়টি লক্ষণ জেনে নেওয়া যাক।

১. প্রস্রাবে ফেনা বা বুদবুদ

কিডনির ক্ষতির প্রাথমিক লক্ষণগুলোর একটি হলো প্রস্রাবে নিয়মিত ফেনা বা বুদবুদ দেখা যাওয়া। এ অবস্থাকে বলা হয় প্রোটিনুরিয়া। এর অর্থ, কিডনির ছাঁকনিযন্ত্র গ্লোমেরুলি প্রোটিন—যেমন অ্যালবুমিন—প্রস্রাবের সঙ্গে বের হতে দিচ্ছে। সুস্থ কিডনি সাধারণত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রোটিন প্রস্রাবে যেতে দেয় না। তাই প্রস্রাবে নিয়মিত দৃশ্যমান ফেনা দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করানো উচিত।

২. গোড়ালি, পা বা চোখের চারপাশে ফোলাভাব

কিডনি যখন সোডিয়াম ও অতিরিক্ত তরল ঠিকভাবে ছেঁকে শরীর থেকে বের করতে পারে না, তখন শরীরে পানি ও লবণ জমতে থাকে। এর ফলে গোড়ালি, পা ও চোখের চারপাশে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে সকালে এসব স্থানে ফোলা ভাব থাকলে তা কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়ার কারণে শরীরে পানি জমার ইঙ্গিত হতে পারে।

৩. বিশেষ করে রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব

কিডনির কার্যকারিতা কমে যাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে প্রস্রাবের অভ্যাসে পরিবর্তন অন্যতম। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হতে পারে, বিশেষ করে রাতে। এ অবস্থাকে নকটুরিয়া বলা হয়। কিডনি ঠিকভাবে প্রস্রাব ঘনীভূত করতে না পারলে প্রস্রাবের পরিমাণ ও ঘন ঘন প্রস্রাবের প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে।

৪. ক্লান্তি ও দুর্বলতা

সুস্থ কিডনি এরিথ্রোপয়েটিন নামের একটি হরমোন তৈরি করে, যা লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সহায়তা করে। কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই হরমোনের নিঃসরণ কমে যেতে পারে। এর ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয় এবং ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হতে পারে। পাশাপাশি কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমেও এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

৫. অনবরত চুলকানি

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের কারণে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমে তীব্র চুলকানি হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে প্রুরিটাস বলা হয়। এ ধরনের চুলকানি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং ত্বকে লাগানোর লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করেও সব সময় উপশম পাওয়া যায় না। রাতে চুলকানির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।

৬. ক্ষুধামন্দা

হঠাৎ ক্ষুধা কমে যাওয়াও কিডনির সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে। রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমে গেলে তা পরিপাকতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে বমি বমি ভাব, মুখে দুর্গন্ধ, এমনকি বমিও হতে পারে। এসব সমস্যার কারণে খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে।

মনে রাখবেন: এসব লক্ষণ দেখা দিলেই যে কিডনির রোগ হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। তবে লক্ষণগুলো স্থায়ী হলে বা একাধিক লক্ষণ একসঙ্গে দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।