বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকারবিবার , ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা

পত্রিকার পাতা ডেস্ক
আগস্ট ২৩, ২০২৬ ৬:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রংপুরে বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) এবং বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।

এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার একটি বাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ভোলা (৫০), স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ পাশের ভবনের ওপর দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীদের বাড়ির ছাদে যান। বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষ রাতে তাঁরা সেখানে বসে ইয়াবা সেবন করছিলেন। শব্দ পেয়ে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে গিয়ে তাঁদের আড্ডা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চান। পরিচয় গোপন রাখার জন্য তাঁর গলায় থাকা গামছা পেঁচিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।

গণপতি চক্রবর্তীর চিৎকার শুনে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর মায়ের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসা মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তীকেও গামছা ও রশি দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশ কমিশনার জানান, অভিযুক্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রার্থী চক্রবর্তী দ্রুত মারা যাচ্ছিলেন না। তাঁর মৃত্যু হতে প্রায় চার থেকে পাঁচ মিনিট সময় লাগে। ওই সময় তাঁরা রশি দিয়ে তাঁর গলা ও মুখ পেঁচিয়ে ধরেন। সর্বশেষে ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু প্রিয়মকে কাপড় পেঁচিয়ে ও বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।

বন্ধ ছিল সবার ফোন, বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল বিদ্যুৎ সংযোগ

পুলিশ কমিশনার বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তরা বাসার একটি বাথরুমে গোসল করেন। এরপর ডাইনিং টেবিলে বসে খেজুর ও অবশিষ্ট ইয়াবা সেবন করেন। পরে জুমার নামাজের সময় রাস্তাঘাট ফাঁকা হলে তাঁরা কিছু স্বর্ণালংকার নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এসব স্বর্ণালংকার কাছের একটি মন্দিরের পেছনে পরিত্যক্ত জায়গায় লুকিয়ে রাখা হয়। অভিযুক্তদের দেখানো অনুযায়ী সেখান থেকে এসব আলামত জব্দ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখেন, যাতে পুলিশ ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে মনে করে। এ ছাড়া আঙুলের ছাপ যাতে না থাকে, সে জন্য বাসার দুটি মোবাইল ফোন ডিটারজেন্ট মেশানো পানিতে ভিজিয়ে রাখা হয়েছিল।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।