বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকামঙ্গলবার , ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নাসা স্পিনার্সের দখলে নিতে ‘ব্যাকডোরে’ চেষ্টা, উঠেছে গুরুতর অভিযোগ

Main Admin
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ৯:২১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা-কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান নাসা স্পিনার্স অ্যান্ড গার্মেন্টস লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণ নিতে একটি বিদেশি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান প্রশাসনিক ও নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার ফাঁকফোকর কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে—এমন গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এ বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে আরও একটি উদ্বেগজনক বিষয়। ইপিজেডে বিনিয়োগ সুরক্ষা ও শিল্প পরিচালনা সহজ করার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানটিকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিলে নাসা স্পিনার্স আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। প্রতিষ্ঠানটি একটি ক্যাটাগরি-বি যৌথ উদ্যোগ। এতে নাসা গ্রুপের সঙ্গে অংশীদার রয়েছে একটি বৃহৎ চীনা টেক্সটাইল মিল। নাসা স্পিনার্সের আনুমানিক বার্ষিক রাজস্ব প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, সরাসরি কর্মসংস্থান প্রায় ১ হাজার ২০০ জন এবং আইএফআইসি ব্যাংকের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ঋণ-এক্সপোজার রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু হওয়ার সক্ষমতা রাখলে জাতীয় স্বার্থেই কারখানাটি চালু করা উচিত।

একটি সচল রপ্তানিমুখী কারখানা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং ব্যাংকের ঋণ পরিশোধে ভূমিকা রাখতে পারে। বিপরীতে, একটি ডিস্ট্রেসড টেকওভার থেকে লাভবান হবে কে—এ প্রশ্নও উঠছে। জানা গেছে, নাসা স্পিনার্সের ক্ষেত্রে আইএফআইসি ব্যাংকের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার ঋণ-এক্সপোজার রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠান যদি শিল্প প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সুবিধা পায়, অথচ মূল শেয়ারহোল্ডারদের ওপর বিপুল ঋণের দায় থেকে যায়, তাহলে তা গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দেবে।

একই সঙ্গে নাসা স্পিনার্সের সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ২০০ শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা জড়িত। বিষয়টি শুধু নাসার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের যৌথ উদ্যোগ ও শিল্প স্থাপনে আহ্বান জানায়। কিন্তু একটি বিদ্যমান বিদেশি অংশীদারত্বের প্রকল্পকে যদি নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার পথ ব্যবহার করে অন্য কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের দখলের সুযোগ দেওয়া হয়—এমন ধারণা তৈরি হলেও বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।

বেপজাকে তাই স্পষ্ট করতে হবে, নাসা স্পিনার্সের কারখানা, সম্পদ, প্লট বা কার্যক্রম নিয়ে অন্য কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা বা সমঝোতা হয়েছে কি না। এসব প্রশ্নের স্বচ্ছ উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত যেকোনো ধরনের হস্তান্তর, পুনর্বণ্টন বা তৃতীয় পক্ষের নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ স্থগিত রাখা উচিত।

বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি যদি সত্যিই নাসা স্পিনার্সে বিনিয়োগ বা অধিগ্রহণ করতে চায়, তাহলে পথ একটাই—সামনের দরজা দিয়ে আসা। মালিকদের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে আলোচনা করতে হবে, চীনা অংশীদারের অধিকারকে সম্মান করতে হবে, আইএফআইসি ব্যাংকের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে এবং একটি স্বচ্ছ বাণিজ্যিক প্রস্তাব দিতে হবে।

এর বাইরে যেকোনো পথ বিনিয়োগের পরিবর্তে একটি মূল্যবান বাংলাদেশি শিল্পসম্পদ ‘ব্যাকডোরে’ দখলের প্রচেষ্টা হিসেবে প্রশ্নের মুখে পড়বে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।