বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা কি স্ত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক?

Main Admin
আগস্ট ৫, ২০২৫ ৭:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশি পরিবারব্যবস্থায় বিয়ের সঙ্গে শুধু একজন নারী নয়, যেন পুরো দায়িত্বের পাহাড় এসে পড়ে তার কাঁধে। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা, ননদ-দেবরের দেখভাল, স্বামীর ঘরের যাবতীয় কাজ—সবই যেন তার স্বাভাবিক ও অপরিহার্য দায়িত্ব। বিশেষ করে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবাযত্নকে অনেক পরিবারে এতটাই অনিবার্য করে তোলা হয়, অনেক জায়গায় কেবল এ কারণেই গৃহবধূ নির্যাতনের অভিযোগ শোনা যায়। প্রশ্ন হলো, ইসলাম কি আসলেই এভাবে দেখে এই দায়িত্বকে?

ইসলামের দৃষ্টিতে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা পুত্রবধূর জন্য একটি নৈতিক দায়িত্ব, কিন্তু সেটা কখনোই বাধ্যতামূলক নয়। বরং এটি স্বামীর নিজ দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত। পুত্রবধূ যদি নিজের সদিচ্ছা ও ভালোবাসা থেকে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করেন, তাহলে তা প্রশংসনীয়, এতে রয়েছে সওয়াবও। তবে তাকে এ কাজ করতে বাধ্য করা কখনোই ইসলাম সমর্থন করে না। কারণ, হাদিসে বলা হয়েছে, ‘মা-বাবার সেবা-শুশ্রূষা করা সন্তানের দায়িত্ব—কোনোভাবেই পুত্রবধূর নয়।’ (আল-বাহরুর রায়েক : ৪/১৯৩; কিফায়াতুল মুফতি : ৫/২৩০)

শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমতের প্রয়োজন দেখা দিলে, স্বামী নিজ কর্তব্যে তাদের সেবা-যত্ন করবেন। পুত্রবধূর কর্তব্য হলো নৈতিকতাবোধ ও দায়বদ্ধতা রক্ষা করা। অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীর উভয়ের কাছেই পরিষ্কার থাকতে হবে, কার দায়িত্ব কতটুকু এবং নৈতিকতার চাহিদা কী? নৈতিকতার ভিত্তিতে পুত্রবধূ যা করবে— তা মর্যাদার চোখে দেখতে হবে। তার আন্তরিকতা ও সহযোগিতাকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে নিতে হবে।

ইসলাম ও নৈতিকতাবোধের দাবি হচ্ছে যে, স্ত্রী স্বামীর বাবা-মাকে নিজের মা-বাবার মতো সম্মান দেবেন। তাদের প্রতি সমীহের চোখে দেখবেন। মনেপ্রাণে তাদের ভালোবাসবেন। তাদের সেবা-যত্নকে নিজের জন্য পরম সৌভাগ্য মনে করবেন। অনুরূপ শ্বশুর-শাশুড়িরও কর্তব্য হলো, পুত্রবধূকে নিজের মেয়ের মতো আদর ও মমতায় আবদ্ধ করা। তার সুখ, আনন্দ ও সুবিধার প্রতি সবিশেষ মনোযোগ দেওয়া।

প্রখ্যাত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, একজন মুসলিমের বিবাহের উদ্দেশ্য হবে চরিত্রের হেফাজত। তার ভাষ্য, যারা কেবল মা-বাবার সেবার উদ্দেশ্যে বিয়ে করেন, তাদের উদ্দেশ্য বৈধ নয়। সুতরাং শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা স্ত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক নয়। তবে যেসব স্বামী কাজের জন্য বাহিরে থাকেন এবং বাবা-মায়ের সেবাযত্ন করতে পারেন না, তাদের পক্ষ থেকে স্ত্রীর জন্য তার শ্বশুর-শাশুড়ির খেদমত করা ইমানি দায়িত্ব। মুমিনের পরিচয়।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।