বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকারবিবার , ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সাজেকে আটকা প্রায় ৫০০ পর্যটক, ভাড়া নেবে না রিসোর্ট মালিকেরা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
জুলাই ৮, ২০২৬ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ি–সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন প্রায় ৫০০ পর্যটক। পরিস্থিতি বিবেচনায় আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে রিসোর্টের কক্ষভাড়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্থানীয় রিসোর্ট মালিকেরা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। তবে ঘোষণার আগেই শত শত পর্যটক সেখানে অবস্থান করছিলেন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাঁরা আপাতত ফিরতে পারছেন না।
সড়ক তলিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাজেকে যাতায়াতের একাধিক সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। একই সঙ্গে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বাঘাইছড়ি–দীঘিনালা এবং লংগদু–দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধস এবং সড়কের মাটি ধসে পড়ায় যাতায়াত আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
একাধিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ
মাইনী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় লংগদু–দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকায় সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে রাঙামাটি–খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও সড়কের ওপর পানি উঠে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে স্থানীয় বাসিন্দারাও ভোগান্তিতে পড়েছেন।
পর্যটকদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ
সাজেক কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক এস এম জিয়াউল হক (যুবরাজ) বলেন, বাঘাইহাট ও মাচালং এলাকার নিচু অংশে সড়কে পানি ওঠায় প্রায় ৫০০ পর্যটক সাজেকে আটকা পড়েছেন।
তিনি জানান, আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে রিসোর্টের কক্ষভাড়া নেওয়া হবে না। শুধু পানি, বিদ্যুৎসহ প্রয়োজনীয় ইউটিলিটি সেবার খরচ নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্থানীয় খাবারের দোকানগুলোও স্বল্প মূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করছে।
অপ্রয়োজনে ভ্রমণ না করার পরামর্শ
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া সাজেকসহ পাহাড়ি এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।