বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাশুক্রবার , ৪ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত উত্তরের কৃষক, বাম্পার ফলনের আশায় স্বপ্ন বুনছেন তাঁরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ৬:১০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

উত্তরের জেলাগুলোতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। সবজির জন্য বিখ্যাত এ অঞ্চলের কৃষকেরা এবার আগাম চাষে ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশায় স্বপ্ন বুনছেন।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উত্তরের বেশির ভাগ কৃষিজমিতে মূলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, লাউ, টমেটো, লালশাকসহ শীতকালীন বিভিন্ন সবজির চাষ শুরু হয়েছে। ক্ষেত পরিচর্যা, রোগবালাই দমন ও অধিক ফলনের আশায় দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করছেন এ অঞ্চলের কৃষক-কৃষাণীরা।

ইতিমধ্যে বাজারেও আসতে শুরু করেছে কিছু আগাম শীতকালীন সবজি। পাওয়া যাচ্ছে শিম ও বাঁধাকপি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার বেশি লাভের পাশাপাশি বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উত্তরের আট জেলা—রংপুর, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে চলতি মৌসুমে ৩৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩ লাখ ১৪ হাজার টন আগাম শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উত্তরের জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে শীতকালীন সবজির চাষ হয়ে থাকে। বিশেষ করে রংপুর অঞ্চল দেশের অন্যতম সবজি ভান্ডার হিসেবে পরিচিত।

উত্তরে এখনো শীত না নামলেও মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে শীতকালীন সবজির চাষ। কেউ ব্যস্ত নতুন চারা রোপণে, কেউ ক্ষেত পরিচর্যায়। বাণিজ্যিকভাবেও ব্যাপক পরিসরে চাষ হচ্ছে এসব সবজি। ইতিমধ্যে সবুজে সবুজে ভরে উঠতে শুরু করেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। সারি সারি বিভিন্ন জাতের শাক-সবজিতে শোভা পাচ্ছে উত্তরের কৃষিজমি।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার রাণীপুকুর এলাকার কৃষক জাহিদুল ইসলাম বাসসকে জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও তিনি আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। জমিতে বাঁধাকপি ও ধনেপাতা লাগিয়েছেন তিনি। গত বছরের তুলনায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে প্রতি মণ বাঁধাকপি ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছেন। এ ছাড়া প্রায় ১০ হাজার টাকার ধনেপাতা বিক্রি করেছেন। উৎপাদন খরচের তুলনায় ভালো দাম পেয়ে তিনি খুশি।

একই এলাকার আরেক কৃষক আয়নাল মিয়া জানান, তিনি স্বল্প সময়ে বাঁধাকপি, শিম, মূলা, লালশাক ও ধনেপাতার আবাদ করেছেন।

তিনি বলেন, এবার বেশি বৃষ্টি হওয়ায় অনেক কৃষকের আবাদ নষ্ট হয়েছে। তবে আশার কথা, প্রায় সবাই নতুন উদ্যমে আবারও আগাম সবজি চাষ শুরু করেছেন।

রংপুর বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, কৃষকদের সবজি চাষে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়মিত তদারকিতে আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার বেড়েছে। এর ফলে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি কৃষকদের মুনাফা বৃদ্ধিরও সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রাকৃতিক কিছু প্রতিকূলতা সত্ত্বেও উত্তরের কৃষকেরা নতুন আশা ও উদ্যম নিয়ে মাঠে ঘাম ঝরাচ্ছেন। কৃষি বিভাগের পরামর্শ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এবার আগাম শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলনের পাশাপাশি কৃষকেরাও ভালো দাম পাবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন উত্তরের সবুজ মাঠজুড়ে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।