বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর কেন ক্ষুব্ধ ইরান, বারবার হুঁশিয়ারই–বা করছে কেন

আল–জাজিরা
মে ১৩, ২০২৬ ৮:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ইরানের কর্তৃপক্ষ এখন প্রায়ই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) নিয়ে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিচ্ছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবার হামলা শুরু করে, তাহলে আমিরাতের ওপর আরও কঠোর হামলা হতে পারে।

ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য আলি খেজরিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে বলেছেন, ‘আমিরাতকে প্রতিবেশী হিসেবে বিবেচনা করার অবস্থান থেকে আমরা সরে এসেছি। এখন দেশটিকে শত্রুর ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করছি আমরা।’

চলতি মাসে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়ার বিবৃতিতেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালির কাছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনার পর এই বিবৃতি দেওয়া হয়।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) জেনারেলদের নেতৃত্বাধীন যৌথ কমান্ড এক সপ্তাহ আগে আমিরাতের নেতাদের উদ্দেশ করে বলেছে, তাঁরা যেন তাঁদের দেশকে ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী’ এবং তাদের সামরিক বাহিনী ও সরঞ্জামের ঘাঁটি হতে না দেয়। এটাকে ইসলাম ও মুসলিমদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে উল্লেখ করেছে তারা।

ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সামরিক, রাজনৈতিক এবং গোয়েন্দা সম্পর্ক আরও গভীর করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি হচ্ছে। তারা আরও সতর্ক করে বলেছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপ ও বন্দরে আবার কোনো হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের দাবি, আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ ফুজাইরাহ বন্দরটি হরমুজ প্রণালির এমন একটি এলাকায় অবস্থিত, যেটি ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন। তাই ওই বন্দর থেকে যাওয়া-আসা করা যেকোনো জাহাজ ইরানের আইনের আওতায় পড়ে।

ফুজাইরাহ বন্দরে চলতি মাসের শুরুতে হামলা হয়। তবে ইরানের দাবি, তারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাত বরাবরই তাদের দেশে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে। দেশটি বলেছে, তারা প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়াসহ নানাভাবে জবাব দেওয়ার অধিকার রাখে।

আমিরাত কর্তৃপক্ষ দেশটিতে বহু বছর ধরে বসবাস করা অনেক ইরানি নাগরিকের ভিসাও বাতিল করেছে। পাশাপাশি ইরানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, বাণিজ্য পথ, অর্থ লেনদেনের নেটওয়ার্ক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় ইরানও বড় ধরনের সমস্যায় পড়েছে। কারণ, চীনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ইরান যে পণ্য আমদানি করত, তার অনেকটাই আমিরাতের বন্দর দিয়ে আসত।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে সমুদ্রপথে বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এবং খাদ্যের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইরান এখন পাকিস্তান, ইরাক, তুরস্ক ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের স্থলপথ ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

ইরান কেন আমিরাতের ওপর বেশি নজর দিচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সদস্যরা অনেক বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শক্তপোক্তভাবে অবস্থান করছে। আবুধাবির কাছে আল-ধাফরা বিমানঘাঁটিতে হাজার হাজার মার্কিন সেনা এবং উন্নত রাডার ও গোয়েন্দা প্রযুক্তি রয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুদ্ধের সময় তারা এসব লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

২০২০ সালে আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কো যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ‘আব্রাহাম চুক্তি’ স্বাক্ষর করে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে। ইরান এই পদক্ষেপকে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখে থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে এই চুক্তি করেন। তিনি আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করতে চান। বিশেষ করে সৌদি আরবকে এতে যুক্ত করতে চান। তবে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে এই প্রক্রিয়া আপাতত থমকে আছে।

ট্রাম্প সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল–নাহিয়ানকে একজন ‘চতুর নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করে প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, আমিরাত হয়তো ‘নিজস্ব পথে যেতে’ চাইতে পারে, বিশেষ করে গত মাসে আমিরাত ওপেক থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।