পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

বাংলাদেশ দলকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন

Sun this Ja ham
জানুয়ারি ২১, ২০২৬ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগ তুলে দিল্লি হাইকোর্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে সব আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার আবেদন শুনতে অস্বীকার করেছে। বুধবার এ আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত এটিকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে গ্রহণ করেনি।

প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ শুরুতেই আবেদনটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালত জানায়, এই আবেদন পররাষ্ট্রনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়। এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের। আদালতের নয়।

বেঞ্চ মন্তব্য করে, আদালতকে অন্য দেশের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে বলা যায় না। ভারতের সীমার বাইরে কোনো বিষয়ে তদন্ত করতেও বলা যায় না।

প্রধান বিচারপতি বলেন, সংবিধানের ২২৬ অনুচ্ছেদের আওতায় বিদেশি সরকার, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থা বা অন্য দেশের ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে নির্দেশ দেওয়া যায় না।

আদালত আরও জানায়, আবেদনকারী আইসিসি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে নির্দেশ চেয়েছেন। এসব সংস্থার ওপর ভারতীয় আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই।

বেঞ্চ আবেদনকারীকে সতর্ক করে বলে, এ ধরনের মামলা জনস্বার্থ মামলার অপব্যবহার। এতে আদালতের সময় নষ্ট হয়। প্রয়োজনে বড় অঙ্কের জরিমানাও করা হতে পারে।

শুনানিতে বিসিসিআইয়ের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডকেও মামলায় পক্ষ করা হয়েছে। যা আদালতের এখতিয়ারের বাইরে।

আদালত বারবার আবেদনকারীকে জানায়, বিদেশি ক্রিকেট বোর্ডের বিরুদ্ধে রিট জারি করা যায় না। সরকারকে অন্য দেশের সঙ্গে কীভাবে আচরণ করবে, সেটিও আদালত ঠিক করে দিতে পারে না।

প্রধান বিচারপতি বলেন, কল্পনা বা ব্যক্তিগত ধারণার ওপর ভিত্তি করে জনস্বার্থ মামলা করা যায় না। এর কোনো আইনি ভিত্তি থাকতে হয়।

আদালত আবেদনকারীর পাকিস্তানের একটি রায়ের ওপর ভরসা করার চেষ্টাও নাকচ করে দেয়। আদালত জানায়, ভারতীয় সাংবিধানিক আদালত পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থা অনুসরণ করে না।

এ সময় আদালতের আদেশে বলা হয়, ‘আবেদনটি গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হলে আবেদনকারী তা প্রত্যাহারের আবেদন করেন। আবেদনটি প্রত্যাহার হিসেবে খারিজ করা হলো’।

তবে শেষ পর্যন্ত বেঞ্চের আপত্তির মুখে আবেদনকারী, যিনি নিজেকে একজন আইনের ছাত্র বলে পরিচয় দিয়েছিলেন, তিনি মামলা তুলে নেওয়ার অনুমতি চান। আদালত আবেদন প্রত্যাহারের অনুমতি দেয়।

প্রধান বিচারপতি বলেন, আবেদনকারীকে আরও গঠনমূলক কাজে যুক্ত হওয়া উচিত। তিনি বলেন, এ ধরনের আবেদন আইনগতভাবে টেকসই নয় এবং অকারণে আদালতের ওপর চাপ তৈরি করে।

সূত্র- এনডিটিভি

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।