বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাশুক্রবার , ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সংকট, দীর্ঘ লাইনে চালকদের ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগস্ট ১৫, ২০২৬ ৫:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাসের সরবরাহ ও চাপ কমে গেছে। কোথাও গ্যাস নেই, কোথাও আবার পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় স্বাভাবিকভাবে গ্যাস নিতে পারছেন না চালকেরা। যেসব স্টেশনে গ্যাস রয়েছে, সেখানেও তৈরি হয়েছে দীর্ঘ গাড়ির সারি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সকাল থেকে দুপুরের তীব্র রোদে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন সিএনজিচালিত গাড়ির চালকেরা। গ্যাসের জন্য এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনেও ছুটতে হচ্ছে তাঁদের।

শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর প্রগতি সরণি সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

প্রগতি সরণির আবুল হোটেল থেকে নতুনবাজার পর্যন্ত চারটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে দুটিতে গ্যাস নেই। একটি স্টেশনে পর্যাপ্ত চাপ নেই। আরেকটিতে গ্যাস থাকলেও চাপ কিছুটা কম।

চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় জ্বালানি সংগ্রহে কয়েক গুণ বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে। কোথাও গ্যাস না থাকায় এক স্টেশন থেকে ফিরে অন্য স্টেশনে যেতে হচ্ছে। আবার কোথাও গ্যাস থাকলেও কম চাপের কারণে সিলিন্ডারে স্বাভাবিক পরিমাণ গ্যাস ঢুকছে না। ফলে দুই-তিনটি ট্রিপ দেওয়ার পরই আবার গ্যাসের জন্য লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের।

হাজীপাড়া সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে গ্যাস রয়েছে। তবে চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। এরপরও গ্যাসের জন্য প্রাইভেটকার ও সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ সারি রামপুরার মোল্লা টাওয়ার পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। তীব্র রোদের মধ্যে কেউ গাড়ির ভেতরে বসে, আবার কেউ বাইরে দাঁড়িয়ে গ্যাসের অপেক্ষা করছেন।

ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, গতকাল তাঁদের স্টেশনে গ্যাসের চাপ ছিল ‘১৮০ বার’। আজ চাপ রয়েছে ‘১৯০ বার’। তারপরও দুটি নোজল বন্ধ রয়েছে। বাকি দুটি নোজল দিয়ে গাড়িতে গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। তবে এই চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। এরপরও যতটুকু সম্ভব গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

সিএনজি চালক রফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘গতকাল রাতে যতটুকু গ্যাস ছিল গাড়িতে, সেটি দিয়ে আজ সকাল ৬টার সময় বের হয়ে মাত্র ৪০০ টাকা ট্রিপ দিতে পেরেছি। এরপর সকাল ৮টার সময় মোল্লা টাওয়ারের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ১২টার সময় আমি প্রায় সিএনজি স্টেশনের কাছে চলে এসেছি। কিন্তু এই চার ঘণ্টা সময় কোনো ট্রিপ দিতে পারিনি। কড়া রোদের মধ্যে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

সোয়া ১২টার দিকে স্টেশনে গ্যাস নিতে দেখা যায় প্রাইভেটকার চালক রাশেদুলকে। তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘সাড়ে সাতটার সময় লাইনে দাঁড়িয়ে এখন গ্যাস পেলাম মাত্র সাড়ে ৪০০ টাকার। গ্যাস দিয়ে আহামরি কিছু হবে না, তবে কয়েকটা ট্রিপ দেওয়া যাবে। কিন্তু আমাদের যে লম্বা সময়গুলো নষ্ট হচ্ছে, এগুলোতে আমরা খুব আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

এরপর মেরুল বাড্ডার কাছে জামান সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ‘গ্যাস নেই’ লেখা সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। একইভাবে মধ্য বাড্ডা মোড়ে থাকা সিটিজেন সিএনজি অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ফিলিং স্টেশনেও ‘গ্যাস নেই’ লেখা সাইনবোর্ড দেখা যায়।

সর্বশেষ উত্তর বাড্ডার মক্কা সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, গাড়িগুলো সিরিয়াল ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তবে কোনো গাড়িতেই গ্যাস দেওয়া যাচ্ছে না। স্টেশন কর্মীরা জানান, সেখানে গ্যাসের চাপ মাত্র ‘১২০ বার’। এই চাপে গাড়িতে গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।