চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল মালিথা আর নেই। রবিবার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শহিদুল মালিথা দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি একজন প্রিয় মানুষকে হারিয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও তাঁর মৃত্যুতে শোকের আবহ বিরাজ করছে।সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় চিৎলা পূর্বপাড়া সরকারি কবরস্থান-সংলগ্ন স্থানে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে চিৎলা পূর্বপাড়া সরকারি কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
চিৎলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করা শহিদুল মালিথার মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা গভীরভাবে শোকাহত। প্রিয়জনকে হারানোর বেদনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
মরহুম শহিদুল মালিথার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে তাঁর জান্নাত নসিবের দোয়া করেছেন স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। একই সঙ্গে তাঁরা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এ অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য ধারণের তৌফিক কামনা করেছেন।


