পত্রিকার পাতা
ঢাকাশুক্রবার , ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

খোকসায় ৩৮৫ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা

Md Abu Bakar Siddique
নভেম্বর ৪, ২০২৫ ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার কৃষকরা বরাবরই ভালো সবজি উৎপাদন করেন । তবে এ বছর অতিবৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শীতকালীন আগাম সবজি উৎপাদনে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ৩৮৫ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এখন পর্যন্ত ১৫৯ হেক্টর জমিতে আগাম সবজির আবাদ হয়েছে।সবজি উৎপাদনে উপজেলায় নয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে বেতবাড়িয়া ইউনিয়ন এগিয়ে রয়েছে। এখানে ১৮ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। এরপর রয়েছে জয়ন্তীহাজরা ও জানিপুর ইউনিয়ন- প্রতিটিতে ১৬ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। আমবাড়িয়ায় ১৫ হেক্টর, শোমসপুর ও গোপগ্রামে ১৪ হেক্টর করে, আর খোকসা পৌরসভার পাতেলডাঙ্গী গ্রামে ১১ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিস পাতেলডাঙ্গী গ্রামকে ‘নিরাপদ সবজি উৎপাদন গ্রাম’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এবারে ফুলকপি ৯ হেক্টর, বাঁধাকপি ৭ হেক্টর, গাজর ২ হেক্টর, পালং শাক ১৪ হেক্টর, ডাঁটা শাক ১২ হেক্টর, লালশাক ১৪ হেক্টর, বেগুন ১৪ হেক্টর, লাউ ২০ হেক্টর, মিষ্টি কুমড়া ১ হেক্টর, করলা ১ হেক্টর, শিম ১২ হেক্টর, শসা ৫ হেক্টর ও পটোল ৭ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। সব মিলিয়ে ১৪৯ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করেছেন কৃষকরা।২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলায় খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়েছে ৯০৯৩ মেট্রিক টন। যা উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে জেলার চাহিদাও পূরণ করেছে বলে জানায় কৃষি সম্প্রসারণ অফিস।

৪৫ বছর ধরে সবজি উৎপাদন করছেন খোকসা পৌরসভার পাতেলডাঙ্গী গ্রামের কৃষক চৈতন্য বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘৪ বিঘা জমিতে সবজি উৎপাদন করে বছরে ৩ লাখ টাকা আয় হয়। যদি সরকার আমাকে সহযোগিতা করে, আমি আরও স্বাবলম্বী হতে পারব।’

বাধাকপি, ফুলকপি ও টমেটো উৎপাদন করেন এই গ্রামের আরেক কৃষক গোপাল বিশ্বাস।উত্তর শ্যামপুর গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, ‘আমি ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার হয়েও চাকরি না পেয়ে এখন সবজি উৎপাদন করছি। সরকারিভাবে সহায়তা পেলে আমরা আরও লাভবান হতে পারব। কিন্তু সার ও কীটনাশকের দাম অনেক বেড়েছে। তাই লাভ কমে গেছে।’উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা খোকন হোসেন বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করছি। এবারে শীতকালীন সবজি বাজারে কিছুটা কম দেখা গেলেও অচিরেই বাজারে বেশি আসবে, দামও কমবে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘উন্নতমানের সবজি উৎপাদনের জন্য ভালো বীজ, মাটি পরীক্ষা ও পরিচর্যা অপরিহার্য। এতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন সম্ভব।’

সরকারি প্রণোদনায় এ বছর উপজেলার ১০০ জন কৃষক বিনামূল্যে সবজি উৎপাদনের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে কৃষকরা ধীরে ধীরে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে এগিয়ে আসছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।