ঢাকা: দৈনন্দিন খাবারে স্বাস্থ্যকর সবজি হিসেবে পালং শাক (Spinach) বাংলাদেশের ঘরে ঘরে পরিচিত। শীতকালে এর চাহিদা সর্বাধিক থাকে। পুষ্টিবিদরা বলছেন, পালং শাকে ভিটামিন এ, সি, কে এবং আয়রন, ফোলেটের ভালো উৎস রয়েছে। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় দেহকে বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়ক।
স্থানীয় বাজারে পালং শাকের সরবরাহ ও চাহিদা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কাপাসিয়া, নরসিংদী, ফেনী এবং সিলেট অঞ্চলে এই শাকের চাষ ব্যাপক। ফসল উৎপাদনে প্রধান সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়—বাজার মূল্য অস্থিরতা এবং পরিবহন খরচ। তবে কৃষকরা বলছেন, সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত পানির ব্যবস্থা থাকলে পালং শাক চাষ লাভজনক।
খাদ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, “পালং শাক শুধু স্বাস্থ্যকর নয়, এটি বিভিন্নভাবে রান্না করা যায়—ভাজি, সূপ, সালাদ বা ডালের সঙ্গে। শিশু ও বৃদ্ধদের পুষ্টি বাড়ানোর জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।”
বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্য সচেতন ভোক্তারা বাজার থেকে সজীব পালং শাক ক্রয় করছেন। কৃষি অধিদপ্তরও নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কৃষি প্রযুক্তি প্রচারের মাধ্যমে চাষিদের সহায়তা করছে।
পুষ্টি, স্বাদ ও সহজলভ্যতার কারণে পালং শাক বাংলাদেশের খাদ্য তালিকায় অমূল্য স্থান ধরে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা আশাবাদ ব্যক্ত করছেন, চাষ ও বাজার ব্যবস্থার আরও উন্নতির মাধ্যমে এটি দেশের স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

