বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাশনিবার , ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ-সমাবেশে কড়াকড়ি, বাড়লো কারফিউয়ের মেয়াদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ৮:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় রাত্রিকালীন কারফিউয়ের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। আগামী সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত প্রতিদিন রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। গত সপ্তাহে দেশটির বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত সহিংসতার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্যারিস পুলিশ কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে, ফ্রান্সের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেই ও লিওঁতে শনি ও রোববার সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এ ছাড়া প্যারিসে আবারও বিশৃঙ্খলা ও লুটপাটের আশঙ্কায় শনিবার বিশ্বখ্যাত ল্যুভ, ওর্সে ও পিকাসো জাদুঘরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্যারিস পুলিশ জানিয়েছে, গত সপ্তাহের সহিংসতার মূল কেন্দ্র প্লাস দ্য লা রিপুবলিক ও লে আল শপিং এলাকায় আগামী সোমবার পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ কার্যকর থাকবে। স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ ও প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লোকর্নুর নির্দেশে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অশান্তি এড়াতে উপকূলীয় শহর মার্সেইতে শনিবার গণপরিবহন বন্ধ রাখা হবে। গত সপ্তাহের সহিংসতায় শহরটির ৫০০টিরও বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

এদিকে, রোউন অঞ্চলের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার রাত ১১টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ কার্যকর থাকবে। আগে এ নিষেধাজ্ঞা শুধু অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রযোজ্য থাকলেও এখন থেকে তা সব নাগরিকের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলীয় নিস, দক্ষিণ উপকূলের তুলোঁ, উত্তর-পশ্চিমের রুয়াঁ শহরের কেন্দ্রস্থল এবং পূর্বাঞ্চলের গ্রেনোবল শহরেও একই ধরনের প্রশাসনিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।

ফ্রান্সের যেসব এলাকায় পুরোপুরি বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়নি, সেখানে শনিবার শুধু অনুমোদিত শ্রমিক সংগঠনগুলোকে বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, “সাধারণভাবে সুপারিশ হলো, কোনো বিক্ষোভ হওয়া উচিত নয়। শ্রমিক সংগঠন হিসেবে যারা বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে চায়, তাদের জন্য কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব বিক্ষোভ শ্রমিক সংগঠনের আয়োজনে হবে না, সম্ভব হলে সেগুলো নিষিদ্ধ করা হবে।”

ম্যাক্রোঁর অভিযোগ, বামপন্থী কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো প্রজাতন্ত্রকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে ‘রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ড’ চালাচ্ছে। সরকার দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চায় বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং স্কুলের অবনতিশীল পরিস্থিতির প্রতিবাদে গত সপ্তাহে ফ্রান্সজুড়ে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়। তবে দাঙ্গা, ভাঙচুর ও লুটপাটের কারণে বিক্ষোভকারীদের মূল দাবিগুলো আড়ালে চলে যায়। ওই সহিংসতায় দেশটির বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর প্রভাব থেকে এখনো পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ফরাসি সরকার।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।