আস সালামু আলাইকুম,
আমি শবনম সুলতানা, একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজের মানুষের, জীবনের সংগ্রাম, তাদের বঞ্চনা, আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের বাস্তবতা আমাকে ভীষণ ভাবে পীড়া দিচ্ছে প্রতিনিয়ত ।
এই মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের তাড়নায় ২০১৯ সনে প্রতিষ্ঠা করি , “মহুয়া’স কল্যাণ সংস্থা” উদ্দেশ্য সর্বময় আশ্রয় কেন্দ্র, যেখানে সকল ধরনের নিরাশ্রয়ের আশ্রয় দান, সুন্দর ও সম্ভাবনাময় বর্তমান ও নিশ্চিত ভবিষ্যতের নিশ্চয়ত নিশ্চিত করা ।
ডাস্টবিনে পড়ে থাকা শিশু, রাস্তায় ফুল বিক্রেতা বালিকা, স্বামী হারা বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, প্রতিবন্ধী ও নিরাশ্রয় বৃদ্ধদের নিয়ে কাজ করার প্রত্যয় নিয়েছে আমার সংস্থা।
এর ই ধারাবাহিকতা থেকে ওপেন করেছি, ” মহুয়া”স চয়েস” অনলাইন বিজিনেস পেইজ । দেশি, বিদেশি ঐতিহ্যবাহী খাদ্য সামগ্রী, পিঠা ও বিভিন্ন মজাদার কাস্টোমাইজ পার্টি কেইক ও বেকারি।
এছাড়া ও আমরা বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন সহ সরকারী বিপণন সংস্থা সমুহের ষ্টেক হোল্ডার হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি । বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী রেশম সিল্ক সহ হাতের সেলাইয়ের কাজ, পাট ও চামড়াজাত পণ্য সামগ্রী নিয়ে কাজ করছি ।
প্রচলিত অর্থে, ” মহুয়া” একটি চমৎকার সুগন্ধি পাহাড়ি ফুল । কিন্তু, আমার “মহুয়া”স” একটি বিশেষায়িত নাম : ম – মফিজ উদ্দিন আহমেদ, আমার বাবা, হু – হুরেন্নাহার আহমেদ, আমার মা , শ – শবনম সুলতানা, আমি নিজে । আমার বাবা মা তৎকালীন সময়ের শিক্ষিত, সৎ মানবিক ও উদার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য উজ্জ্বল ছিলেন । তাঁদের অনুপ্রেরণা ও স্মৃতির প্রতি সম্মান রেখে কাজ করে যেতে চাই আমৃত্যু ।
পাশে থেকে উৎসাহ ও সহযোগীতা প্রদানের জন্য সকল উদ্যোক্তা সহযাত্রী ও পৃষ্ঠপোষকতা দানকারী সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি । অনেক অনেক ভালো থাকবেন সবাই সবসময় । আমাদের জন্য দোয়া করবেন ।
ধন্যবাদ ।

