ছোটবেলার রান্না–বাটি খেলার শখই একদিন রূপ নিয়েছে পেশাদার উদ্যোক্তায়। পল্লবী, মিরপুর থেকে পরিচালিত মেরিনা সুলতানা ট্রাডিশনাল অ্যান্ড ফিউশনাল ফুড—এর পেছনের গল্পটি এমনই অনুপ্রেরণার। মেরিনা সুলতানা দেশি ও বিদেশি নানা ধরনের খাবার নিয়ে কাজ করছেন। তাঁর সিগনেচার আইটেমের মধ্যে রয়েছে কাবাবসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ও ফিউশনাল পদ। শৈশব থেকেই রান্নার প্রতি আগ্রহ থাকলেও বিয়ের পর তা নতুন মাত্রা পায়। শ্বশুরবাড়ির মুরুব্বিদের উৎসাহ ও স্বামীর আন্তরিক সহযোগিতাই তাঁকে শূন্য থেকে শুরু করার সাহস জুগিয়েছে বলে জানান তিনি। মেরিনা সুলতানা বলেন, “পরিবারের সমর্থন ছাড়া এগোনো সম্ভব হতো না। তাঁদের অনুপ্রেরণাই আমাকে আত্মবিশ্বাসী করেছে।” পরিবারের এই সহযোগিতার ফলেই তিনি রান্নার প্রতি ব্যক্তিগত আগ্রহকে একটি পেশাদার পর্যায়ে নিয়ে যেতে পেরেছেন।
এই পথচলায় তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরেছেন, অংশ নিয়েছেন নানা রান্নাবিষয়ক প্রতিযোগিতা ও আয়োজনে। এসব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই তৈরি হয়েছে তাঁর নিজস্ব পরিচয়। পেয়েছেন নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয়, গড়ে উঠেছে রান্না নিয়ে এক বড় পরিবার। নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের পথচলার বিষয়ে আশাবাদী মেরিনা সুলতানা। তিনি বলেন, “এ ধরনের আয়োজন ও উদ্যোগ নারীদের সামনে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা দেয়।” এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সবার প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্য কামনা করেন।
নিজের স্বপ্ন আর পরিশ্রমের সমন্বয়ে মেরিনা সুলতানা আজ প্রমাণ করেছেন—পরিবারের সমর্থন ও আত্মবিশ্বাস থাকলে শখও হতে পারে সফল উদ্যোক্তার গল্প।

