পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ১১ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

টাইমকে সাক্ষাৎকার: কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান

Sun this Ja ham
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬ ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

তারেক রহমান বলেছেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষায় ১২ হাজার মাইল খাল খনন করতে চাই। এ ছাড়া পরিবেশ রক্ষায় বছরে পাঁচ কোটি গাছ লাগানো এবং রাজধানী ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে ৫০টি নতুন সবুজ এলাকা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।’

টাইম ম্যাগাজিনের অনলাইন সংস্করণে বুধবার প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন তিনি। এই সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশের সংকটগুলো নিয়ে কথা বলেছেন।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও নীতিগতভাবে কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আজ যদি একটি দল নিষিদ্ধ করা হয়, তবে কাল আমার দলও নিষিদ্ধ হবে না তার নিশ্চয়তা কী?’ তবে অপরাধীদের শাস্তির বিষয়ে তিনি আপসহীন।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করাই প্রথম অগ্রাধিকার, তবে দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক এগিয়ে নিতে তিনি সচেষ্ট থাকবেন। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং বোয়িং বিমান ও জ্বালানি অবকাঠামো কেনার মাধ্যমে সম্পর্কোন্নয়নের পরিকল্পনা তাঁর রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি যা পরিকল্পনা করেছি, তার শুধু ৩০ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে পারলেও দেশের মানুষ আমাকে সমর্থন করবে।’ তিনি বেসরকারি হাসপাতালের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করা এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে শ্রমিকদের দক্ষ করে তোলার ওপর জোর দেন।

টাইমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ঢাকার বিমানবন্দরে লাখো সমর্থকের উষ্ণ অভ্যর্থনায় সিক্ত হওয়ার ঠিক পাঁচ দিন পর তিনি হারান তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে। শোকাতুর হৃদয়ে তারেক রহমান এখন দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির হাল ধরেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমানে তিনি ও তাঁর দল জনমত জরিপে অনেক এগিয়ে।

বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও টাকার মান কমে যাওয়ার মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তারেক রহমান মনে করেন, এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন বিনিয়োগ ও তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। দেশে প্রতি বছর ২০ লাখ তরুণ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন, অথচ বেকারত্বের হার ১৩.৫ শতাংশ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনশক্তিতে রূপান্তর করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে দুর্নীতি ও অপশাসনের অভিযোগ ছিল। ২০০৮ সালের একটি মার্কিন কূটনৈতিক তারবার্তায় তাঁর সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছিল। তবে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তারা কিছুই প্রমাণ করতে পারেনি।’ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে তিনি বলেন, ‘যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমাদের বড় দায়িত্ব রয়েছে। আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে চাই।’

দলের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করা তাঁর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে তিনি নিজেকে আগের চেয়ে নমনীয় ও সহনশীল হিসেবে তুলে ধরছেন। নিজের ও মায়ের সমালোচনা করে আঁকা ব্যঙ্গচিত্র শেয়ার করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছেন।

নির্বাচনী জরিপ অনুযায়ী, বিএনপির জনসমর্থন এখন প্রায় ৭০ শতাংশ। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ১৯ শতাংশ। তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ বর্তমানে জামায়াতের সামাজিক মাধ্যম কৌশলের কারণে তাদের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তারেক রহমান মনে করেন, মানুষ শুধু অবাধে কথা বলার এবং আত্মপ্রকাশের গণতন্ত্র চায়।

তারেক রহমান এখন এক বিশাল দায়িত্বের মুখে। ৫৪ বছরের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার আর জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই তাঁর প্রধান কাজ। তিনি বলেন, ‘স্পাইডারম্যান সিনেমার সেই বিখ্যাত উক্তির মতো আমি বিশ্বাস করি– ক্ষমতার সঙ্গে আসে বড় দায়িত্ব।’

সমকাল

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।