পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রের হোটেল ও রিসোর্টে বাড়তে শুরু করেছে বুকিং। রাজধানী, কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেট, শ্রীমঙ্গল ও পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটন এলাকাগুলির জন্য স্থানীয়দের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক।
সাধারণ পর্যটক থেকে শুরু করে বাজেট ট্রাভেলার ও প্রিমিয়াম সেবাগ্রহীতাদের জন্য বিভিন্ন মানের আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে। পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার ঈদের ছুটিতে হোটেল–রিসোর্টের ভাড়া অন্য মৌসুমের তুলনায় খুব বেশি পরিবর্তিত হয়নি।
রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় ভাড়া
রাজধানী ঢাকায় পাঁচ তারকা বা বিলাসবহুল হোটেলের সাধারণ কক্ষে থাকতে খরচ হতে পারে ৭ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। প্রেসিডেনশিয়াল স্যুটের ভাড়া ৮০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
মাঝারি মানের হোটেলে থাকতে খরচ পড়তে পারে ৫ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা। অন্যদিকে বাজেট হোটেলে দেড় হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যেও থাকা সম্ভব।
ঢাকার আশপাশের রিসোর্ট ও প্রিমিয়াম অবকাশকেন্দ্রগুলোতে খরচ ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বেশি হতে পারে। তবে মাঝারি ও বাজেট মানের আবাসন ২ হাজার ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যেও পাওয়া যাচ্ছে।
কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার–এ পাঁচ তারকা হোটেলের সাধারণ কক্ষের ভাড়া ৫ হাজার থেকে ২৩ হাজার টাকার বেশি। প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য থাকা ইকো রিসোর্টে খরচ হতে পারে ৬ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি।
এ ছাড়া বাজেট পর্যটকেরা ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মধ্যেও মাঝারি বা সাধারণ হোটেলে থাকতে পারবেন।
অন্যদিকে কুয়াকাটার লাক্সারি ভিলাগুলোর ভাড়া ১২ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত। সেখানে বাজেট হোটেলে ২ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকার মধ্যে আবাসন মিলছে।
পাহাড় ও চা–বাগান এলাকাতেও বাড়ছে বুকিং
সিলেট ও শ্রীমঙ্গল–এ পাঁচতারা রিসোর্টের সাধারণ কক্ষের ভাড়া ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার বেশি। বুটিক রিসোর্টে থাকতে খরচ হতে পারে ৬ হাজার থেকে সাড়ে ১১ হাজার টাকার বেশি।
পার্বত্য অঞ্চলের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে সাজেক–এ ১ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। বান্দরবান–এ আবাসনের খরচ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২৩ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আর রাঙ্গামাটি–তে ২ হাজার থেকে ৭ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন মানের হোটেল ও রিসোর্ট পাওয়া যাচ্ছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ছুটির সময়, পর্যটনের মৌসুম ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে হোটেল–রিসোর্টের ভাড়া কমবেশি হতে পারে। তাই ভ্রমণের আগে আগাম বুকিং নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

