পত্রিকার পাতা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নেত্রকোনায় গোলাপ ফুলের বাণিজ্যিক চাষ

Md Abu Bakar Siddique
নভেম্বর ৫, ২০২৫ ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নেত্রকোনায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ হয়েছে। ধানের পাশাপাশি গোলাপ চাষে লাভবান কৃষকরা, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে এলাকা। কৃষকরা বলছেন, তুলনামূলক কম জায়গায় বেশি লাভ হওয়ায় ফুল চাষের প্রতি বাড়ছে আগ্রহ। খবর বাসসের।ধানখেতের পাশেই লাল গোলাপে ভরা বাগান। রং, সৌন্দর্য আর সুগন্ধ ছড়িয়ে দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনা। নেত্রকোনার মাটিতে এবারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ফুল চাষ।শখের বশে শুরু, এখন সেটাই মূল পেশা। কৃষক জালাল উদ্দিন ছয় বছর আগে চট্টগ্রামে হাতে-কলমে শিখে গড়ে তুলেছেন ৪৫ শতাংশ জমিতে গোলাপের বাগান। প্রায় ৯ হাজার গোলাপগাছে ফুটছে লাল গোলাপ। প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে এক হাজারের বেশি ফুল। বিশেষভাবে ফেব্রুয়ারিতে ভালো চাহিদা থাকায় এ মাসে আয়ের লক্ষ্য দেড় লাখ টাকা।

জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান চাষে বছরে দুবার করা যাচ্ছে। কিন্তু এই ফুল রাত পেরোলেই প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ টাকা আসবেই। প্রতিদিনই ফুল থেকে আয় হয়।’

এলাকায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষ হওয়ায় স্থানীয়দের আগ্রহ বাড়ছে। কেউ আসছেন ফুল কিনতে, কেউবা আসছেন শুধু সৌন্দর্য উপভোগ করতে। এ বাগান করে দিয়েছে কর্মসংস্থানের সুযোগও। স্থানীয়দের একজন বলেন, ‘আমি মামার সঙ্গে সময় দিচ্ছি। মামা একা বাগান সামলে উঠতে পারছেন না।’ দর্শনার্থীদের একজন বলেন, ‘পুরোনো যে কৃষিব্যবস্থা রয়েছে, সেখান থেকে আমরা বের হতে পারছি না। যারা বের হতে পারছেন, তারাই সফল হচ্ছেন।’

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এই ফুল ছড়িয়ে যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলায়। ফুলের দোকানে যেখানে একটি গোলাপ ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হয়, সেখানে বাগান থেকে তা বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। তবে ধান উৎপাদননির্ভর এ জেলায় ফুলের বাগান একেবারেই নতুন। এ ছাড়া অধিক লাভজনক হওয়ায় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ নিয়ে ফুলের বাগান তৈরিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে।

কৃষি বিভাগ জানায়, ধানের পাশাপাশি কৃষকদের বিকল্প চাষে উৎসাহিত করার ফলে সঠিক পরিচর্যা ও বাজারব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে আরও বাড়বে ফুল চাষ। নেত্রকোনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ‘যেসব চাষি ফুল চাষ আবাদ করবেন তাদের আমরা কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ দেব।’

নেত্রকোনায় বর্তমানে প্রায় পাঁচ হেক্টর জমিতে গোলাপসহ বিভিন্ন ফুল চাষ হচ্ছে। তবে উৎপাদন ও বিপণনব্যবস্থা সহজলভ্য হলে এর পরিমাণ আরও বাড়বে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।