বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাগ্নিকের ‘ফ্রম ড্রইং টু ওয়ার্ল্ড কাপ বাস’ অর্জন

Main Admin
এপ্রিল ২৩, ২০২৬ ৮:০৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কানাডার সাস্কাটুনে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাগ্নিক আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ‘ফ্রম ড্রইং টু ওয়ার্ল্ড কাপ বাস’ অর্জন করেছে। বাংলাদেশের রাজবাড়ীর সঞ্জয় দে এবং পপি দে’ এর সন্তান সাগ্নিক সাস্কাটুনের “গ্রেস্টোন হাইটস” স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

২০২৬ বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে স্বপ্ন দেখে এবং ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি ছবি আঁকতে আগ্রহী এমন একটি বিষয় নিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত বয়সী শিশুদের সৃজনশীলতা প্রদর্শন করতে এবং আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল টিম বাসে তাদের শিল্পকর্ম প্রদর্শনের জন্য ফিফা (FIFA) এবং হুন্দাই (Hundai) যৌথভাবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী দেশগুলোর শিশুদের নিয়ে অংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে যেখানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সাগ্নিক প্রতিযোগিতায় “ফ্রম ড্রইং টু ওয়ার্ল্ড কাপ বাস” পুরস্কার অর্জন করে।

পুরস্কার হিসেবে সাগ্নিক একজন অভিভাবকসহ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত পর্তুগালের খেলা মাঠে বসে দেখা, যুক্তরাষ্ট্রে আসা যাওয়া এবং সেখানে অবস্থানের সব খরচাদির সুযোগ সুবিধা পাবে।

সৃজনশীলতা, মৌলিকতা, বিষয়বস্তু এবং বিশ্বকাপের দর্শকদের আবেগকে কতটা ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়-এই তিনটি বিষয়ের উপর বিবেচনা করে বিচারকবৃন্দ তাদের রায় প্রদান করে।

সহস্রাধিক প্রতিযোগীদের মধ্যে থেকে সাগ্নিকের আঁকা ছবিটি দিয়ে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে পর্তুগাল দলের অফিসিয়াল বাসটি রাঙানো হবে।

সাগ্নিক মিডিয়াকে বলেন, প্রতিযোগিতার প্রথম ইমেইল টা দেখে বিশ্বাস হয়নি, ফেক মনে হয়েছিল, পরে বাবা বলাতে গুরুত্ব দিয়ে আর্টের কাজটা করেছি। খুবই ভালো লাগছে নিজেকে এমন একটি জায়গায় দেখতে পেয়ে। আপনাদের সবার কাছে দোয়া চাই।

সাগ্নিকের বাবা সঞ্জয় দে রিপন বলেন, বাবা হিসেবে খুবই গর্ববোধ করছি। এ আনন্দ সারা বাংলাদেশিদের জন্য। সাগ্নিক-এর মত সবাই উৎসাহী হয়ে এ ধরনের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের প্রতিভা বিকাশ করুক, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখুক, বাবা হিসেবে এটাই আমার প্রত্যাশা।

সাগ্নিকের মা পপি দে বলেন, সত্যি খুব আনন্দ উপভোগ করছি। ঘরে ঘরে সাগ্নিকের মতো সন্তানদের জন্ম হোক, ভবিষ্যতে দেশের মান উজ্জ্বল করে দেশ কে সবার উপরে নিয়ে রাখুক। সবার কাছে সাগ্নিক এর জন্য তিনি আশীর্বাদও প্রার্থনা করলেন।

সাগ্নিক এবং স্রোত আর্ট স্কুলের শিক্ষক রুবাইয়াত-ই- শরমিন ঈশিতা বলেন, এভাবে প্রতিভার মধ্য দিয়ে আমাদের সন্তানরা বেড়ে উঠুক, আমাদের দেশকে আমাদের জাতিকে সবার সামনে পরিচিত করুক দেশের পতাকাকে সম্মানীত রাখুক এমনটাই আশা করছি।

সাগ্নিকের এই অর্জন সাস্কাটুনের বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে আনন্দ বয়ে নিয়ে এসেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।