পত্রিকার পাতা
ঢাকারবিবার , ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

রাষ্ট্রপতি পদে অলি আহমদকে মনোনয়ন দিল ১১ দলীয় ঐক্য

Main Admin
আগস্ট ৯, ২০২৬ ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

রাষ্ট্রপতি পদে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে মনোনয়ন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য।

আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের মিন্টো রোডের বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাদের বৈঠক শেষে অলি আহমদের নাম ঘোষণা করা হয়।

বৈঠক শেষে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের পক্ষ থেকে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১১ দল সংসদে ও সংসদের বাইরে গণভোটের বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তাদের একজন অভিন্ন প্রার্থী থাকবেন।

তিনি বলেন, ১১ দলের শরিক দল এলডিপির চেয়ারম্যান এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করার কারণ ব্যাখ্যা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশের চলমান সংকটের সময়ে যে ধরনের অভিভাবকত্ব প্রয়োজন, ১১ দল মনে করে কর্নেল অলি আহমদ সে দায়িত্ব পালনের জন্য উপযুক্ত। তাঁর অভিভাবকত্ব ও নেতৃত্বে দেশের সংকটগুলো নিরসন করা সম্ভব বলে তাঁরা মনে করেন।

আজকের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আলোচনায় বিএনপি সরকারের নির্বাচন-পরবর্তী অবস্থান, গণভোট ও জুলাই সনদসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সরকারের দ্বিচারিতার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার কমিশনে দীর্ঘদিনের আলোচনায় রাষ্ট্রপতির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কখন হবে, সে বিষয়ে একটি নতুন ফর্মুলার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। এর লক্ষ্য ছিল সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য একজন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা। একই সঙ্গে নির্বাচনপ্রক্রিয়া সংশোধন এবং ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছিল।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর জুলাই সনদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা ছিল।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, গণভোটে জনগণ যে ম্যান্ডেট দিয়েছে, সেখানে ৭০ শতাংশ মানুষ তাঁদের পক্ষে মত দিয়েছিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের মাধ্যমে নতুনভাবে সংস্কার করা সংবিধানের অধীনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রত্যাশা ছিল তাঁদের।

তিনি অভিযোগ করেন, সরকার গণভোটের গণরায়কে অস্বীকার করেছে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো ধারাতেই নেই। সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া হয়নি, অধিবেশনও ডাকা হয়নি। একই সঙ্গে সব প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। নির্বাচন কমিশনকেও দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, তাঁদের আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল নিরপেক্ষ সরকার ও নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বর্তমান সরকারও পূর্বের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থার পথে হাঁটছে বলে তাঁরা মনে করছেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনই তাঁরা ফ্যাসিবাদের দোসর সাহাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করে জুলাই সনদ অনুযায়ী দ্রুত নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে ছয় মাস ধরে রাখা হয়েছে এবং এখনো কোনো ধরনের বিচারের আওতায় আনা হচ্ছে না। বিষয়টিকে তাঁরা সন্দেহজনক বলে মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী পাঁচ বছর পার হলে বর্তমান রাষ্ট্রপতি তখনও দায়িত্বে থাকবেন। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার কীভাবে হবে এবং রাষ্ট্রপতির ভূমিকা কী হবে—এসব বিষয় নিয়ে জাতির সামনে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপির অধীনে ইতিহাসে দেখা গেছে, তারা সবসময় ক্ষমতা হস্তান্তরের সময়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন সময়ে তারা বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী বাস্তবে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে নাহিদ ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রাধান্য থাকে এবং তাদের ভোটই মূলত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাটাই একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। রাজনীতিতে গণতন্ত্রের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক করা উচিত বলে তাঁরা মনে করেন।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।