পত্রিকার পাতা
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সোনারগাঁওয়ে জাপান প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি: গ্রেফতার ৪

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
জুলাই ১৫, ২০২৬ ৬:১৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া জাপান প্রবাসীর পরিবারের গাড়ি থামিয়ে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত চার সদস্যের একটি ডাকাত চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী সুবেদার (অব.) মো. নুরুল হক (৭৯) সোনারগাঁও থানায় দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ছেলে পরিবার-পরিজনসহ জাপানে বসবাস করেন। গত ৮ জুলাই ২০২৬ তারা একটি মাইক্রোবাসে নিজ বাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। পথে সোনারগাঁও থানার আষারিয়ারচর এলাকায় মেঘনা টোল প্লাজার পশ্চিম পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পৌঁছালে ৩ থেকে ৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি লেজার লাইট ব্যবহার করে গাড়ি থামায়। পরে ধারালো ছোরা ও চাপাতি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে গাড়ির চাবি, একাধিক মোবাইল ফোন, নগদ ২০ হাজার টাকা, পরিবারের ব্যবহৃত ব্যাগ এবং অন্যান্য মালামাল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।
মামলা দায়েরের পর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ সার্কেল) দীপংকর ঘোষের তদারকি এবং সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. ইকরাম উজ্জামান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঢাকা, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
একপর্যায়ে চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানার বারৈয়ারহাট এলাকায় মহাসড়কে যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—কবির হোসেন (৪০), জুয়েল (২৬), সজিব (২৯) ও শাকিল (২৬)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে কবির হোসেন চক্রটির প্রধান। তার বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় ডাকাতি, দস্যুতা ও অস্ত্র আইনের ১৯টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া জুয়েলের বিরুদ্ধেও একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
পরে গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোনারগাঁও থানার পিরোজপুর ইউনিয়নের মাগুড়া প্লট এলাকার একটি বাগান থেকে লুণ্ঠিত আলামত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৮ ভরি ৭ আনা ৫ রতি স্বর্ণালংকার। এর মধ্যে রয়েছে গলার চেইন, চুড়ি, আংটি, কানের দুল, লকেট ও ব্রেসলেট। এছাড়া একটি ট্রাভেল ট্রলি ব্যাগ, একটি হাতব্যাগ, একটি স্কুল ব্যাগ এবং একটি ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, ডাকাত সর্দার কবির দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার ডাকাত হিসেবে সক্রিয়। তিনি ও তার সহযোগীরা নিয়মিত মাদক সেবন করতেন এবং ডাকাতির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মূলত নেশার অর্থ জোগাড় এবং সংসারের ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যেই তারা এ ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।
সোনারগাঁও থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত পলাতক অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।