পত্রিকার পাতা
ঢাকাবুধবার , ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীতে জলাবদ্ধতা, বাসাবাড়িতে পানি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
জুলাই ৭, ২০২৬ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, পতেঙ্গা, হালিশহর ও কুয়াইশসহ বিভিন্ন এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক এলাকায় বাসাবাড়ি ও দোকানে পানি ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে ভারী বৃষ্টির কারণে নগরীর নিচু এলাকাগুলোতে দ্রুত পানি জমতে শুরু করে। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও এর চেয়েও বেশি পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হয়।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি যেসব এলাকায়
আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, কাজির হাট, হালিশহর, চান্দগাঁও, সুন্নিয়া মাদ্রাসা রোড, আকমল আলী রোড, পতেঙ্গা ও কুয়াইশ এলাকার বাসিন্দারা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেক বাসা ও দোকানে পানি ঢুকে আসবাবপত্র ও ব্যবসায়িক মালামালের ক্ষতি হয়েছে। চকবাজারের বিভিন্ন অলিগলিও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
দুর্ভোগে অফিসগামী মানুষ
জলাবদ্ধতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন অফিসগামী মানুষ। সকাল থেকেই নগরীর বিভিন্ন মোড়ে যানজট দেখা দেয়। অনেককে জুতা হাতে নিয়ে পানির মধ্য দিয়ে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। একই সঙ্গে গণপরিবহন ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংকট দেখা দেওয়ায় অনেক কর্মজীবী সময়মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেননি।
চান্দগাঁও এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে দীর্ঘ সময় সড়কে আটকে থাকতে হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বর্ষা এলেই একই ধরনের দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়।
বাকলিয়ার বাসিন্দা নাসরিন আক্তার বলেন, বৃষ্টির পর বাসার নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ায় আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখতে হয়েছে। এত উন্নয়ন প্রকল্পের পরও জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আগ্রাবাদের ব্যবসায়ী আবদুল কাদের বলেন, দোকানে পানি ঢুকে কিছু মালামাল নষ্ট হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ব্যবসায় লোকসান গুনতে হয়।
আকমল আলী রোডের বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম বলেন, অলিগলিতে পানি জমে অনেক মানুষ ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন। অনেক বাসায়ও পানি ঢুকেছে।
মুরাদপুর সুন্নিয়া মাদ্রাসা এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম জানান, সকালে বৃষ্টির পর তাঁদের বাসার নিচতলায় পানি ঢুকে পড়েছে। এতে পরিবারের সদস্যদের দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে।
প্রকল্পের পরও কাটছে না জলাবদ্ধতা
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জলাবদ্ধতা নিরসনে বিপুল অর্থ ব্যয়ে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও সামান্য ভারী বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে যায়। এতে শুধু যাতায়াত নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে।
আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এতে নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানান, সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে আমবাগান আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিজন রায় বলেন, একই সময়ে ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।