কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বড়াইবাড়ী সীমান্তের শূন্যরেখায় তিন যুবক টানা ১০ দিন ধরে অবস্থান করছেন। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পলিথিনের অস্থায়ী ছাউনিতে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ জুন সীমান্তের দুটি এলাকায় মোট পাঁচ যুবক শূন্যরেখায় অবস্থান শুরু করেন। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্তে থাকা দুই যুবক সোমবার (২২ জুন) রাতের আঁধারে সেখান থেকে চলে যান। তবে বড়াইবাড়ীর ভুন্দুরচর সীমান্তে থাকা তিনজন এখনো শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সোনা মিয়া বলেন, গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থান করা দুই যুবক আর সেখানে নেই। বর্তমানে ভুন্দুরচর সীমান্তে তিনজন অবস্থান করছেন।
এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে বিভিন্ন সভা-সমাবেশও করা হচ্ছে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে লোকজন ঢুকিয়ে দেওয়ার (পুশইন) সম্ভাবনা সম্পর্কে সীমান্তবর্তী জনগণকে সতর্ক করা হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নিয়মিত টহলও পরিচালনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ নারী ও শিশুসহ ৯ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বিজিবি বাধা দিলে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে শূন্যরেখায় অবস্থান করা নারী ও শিশুসহ ছয়জন বিভিন্ন সময়ে সেখান থেকে সরে যান। বর্তমানে তিন যুবক সেখানে অবস্থান করছেন।

