ডোপ টেস্টে অনুপস্থিত থাকার কারণে ভারতীয় ক্রিকেটের পুরুষ দলের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং নারী দলের শেফালি ভার্মাকে ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি(নাডা) নোটিশ পাঠিয়েছে। নিজেদের ‘অবস্থান জানাতে ব্যর্থতার’ কারণ ব্যাখ্যা করতে না পারায়, সংস্থাটি এই জুটির প্রথম ‘ডোপ টেস্টে অনুপস্থিতি’ নথিভুক্ত করেছে।
যশস্বী এবং শেফালি দুজনেই নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুল (আরটিপি)-এর অংশ। আকস্মিক ডোপ টেস্টের জন্য তাদের দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকতে হয়। খেলোয়াড়দের এসএমএস, মেইল বা অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পরিবর্তনের বিষয়ে এজেন্সিকে জানাতে হয়, কিন্তু এই তরুণ ক্রিকেটাররা তা করতে ব্যর্থ হন।
গত বছরের ৭ নভেম্বর এবং ১৭ ডিসেম্বর ডিসিও শেফালি এবং যশস্বীর কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের কাউকেই সেই নির্দিষ্ট স্থানে পাওয়া যায়নি। ২০২৬ সালের ১৮ এবং ২০ ফেব্রুয়ারি নাডাকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে জানাতে ব্যর্থতার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হলে, তাদের কেউই সাড়া দেননি। কয়েক মাস পর, নাডা তাদের প্রথম ডোপ টেস্টে অনুপস্থিতির বিষয়টি নথিভুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে (বিসিসিআই) বিষয়টি জানানো হয়েছে।
যখন ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল, তখন জয়সওয়াল রঞ্জি ট্রফি ২০২৫-২৬-এর একটি ম্যাচ খেলার পর ছুটিতে ছিলেন। অন্যদিকে শেফালি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন।
যদি শেফালি এবং যশস্বীর ব্যাখ্যা বৈধ বলে বিবেচিত না হয়, তবে প্রথম ডোপ টেস্টে অনুপস্থিতির সিদ্ধান্তটিই চূড়ান্ত হবে। এক্ষেত্রে তারা নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হবেন না। একজন খেলোয়াড়ের ওপর দুই বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা তখনই আরোপ করা হয়, যখন এক বছরে তার তিনটি ডোপ টেস্টে অনুপস্থিতির রেকর্ড থাকে। আইপিএলে খেলছেন জয়সওয়াল, ইংল্যান্ড সফর ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন শেফালি।
বর্তমানে জয়সওয়াল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএল) রাজস্থান রয়্যালস (আরআর)-এর হয়ে খেলছেন। আইপিএল শেষে তিনি আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজ খেলতে ব্যস্ত থাকবেন। অন্যদিকে, শেফালি আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে নির্বাচিত হয়েছেন। এই মাসের শেষের দিকে, ভারতীয় দল পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের একটি সিরিজ খেলতে ইংল্যান্ডে যাবে, যা এই মেগা ইভেন্টের প্রস্তুতি হিসেবে কাজ করবে।

