পত্রিকার পাতা
ঢাকাশনিবার , ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

নারীদের জন্য বিটরুট কেন উপকারী? জানুন ৫ স্বাস্থ্যগুণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
জুন ১৯, ২০২৬ ৮:২৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পুষ্টিগুণে ভরপুর বিটরুটকে অনেকেই ‘সুপারফুড’ হিসেবে বিবেচনা করেন। কম ক্যালোরিযুক্ত এই সবজিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিটরুট নারীস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে। রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ থেকে শুরু করে হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষা এবং গর্ভাবস্থায় পুষ্টি জোগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এই সবজি।

তবে উপকারিতার পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতাও প্রয়োজন। জেনে নিন নারীদের জন্য বিটরুটের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা সম্পর্কে।

১. রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক

বিটরুটে রয়েছে আয়রন ও ফোলেট, যা শরীরে রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। নিয়মিত বিটরুট খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের আয়রনের ঘাটতি রয়েছে বা মাসিকের কারণে শরীরে আয়রনের পরিমাণ কমে যায়, তাঁদের জন্য এটি উপকারী খাদ্য হতে পারে।

২. হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে

বিটরুটে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে সহায়তা করে। এটি রক্তনালিকে প্রসারিত করতে এবং রক্তপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষায় বিটরুট সহায়ক হতে পারে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিটরুটের সালাদ বা বিটরুটের জুস রাখা যেতে পারে।

৩. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে

বিটরুটে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে কাজ করে। পাশাপাশি এটি প্রদাহ কমাতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক আরও সতেজ ও উজ্জ্বল দেখাতে পারে।

৪. শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, বিটরুট শরীরে অক্সিজেন ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। ফলে ক্লান্তি কমে এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায়। নিয়মিত বিটরুট বা বিটরুটের রস পান করলে কর্মক্ষমতা বাড়তে পারে।

৫. গর্ভাবস্থায় উপকারী

গর্ভাবস্থায় ফোলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পুষ্টি উপাদান। বিটরুটে থাকা ফোলেট ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে। এ কারণে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভবতী নারীরা খাদ্যতালিকায় বিটরুট রাখতে পারেন।

বিটরুট খাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

বিটরুট সাধারণত নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাবার হলেও কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।

* বিটরুট খাওয়ার পর অনেকের প্রস্রাব বা মলের রং লালচে বা গোলাপি হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘বিটুরিয়া’ বলা হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়।
* কিডনিতে পাথরের সমস্যা থাকলে বিটরুট বা বিটরুটের রস নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এতে অক্সালেটের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি, যা কিছু ক্ষেত্রে পাথর গঠনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
* যাঁদের নিম্ন রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তাঁদেরও পরিমিত পরিমাণে বিটরুট খাওয়া উচিত।

#খাদ্যতালিকায় কীভাবে রাখবেন?

বিটরুট সালাদ, জুস, স্যুপ কিংবা সবজির সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায়। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে বিটরুট খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।