পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ১১ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

সোনার ব্যাপক দরপতনের আভাস

Sun this Ja ham
মে ১০, ২০২৬ ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের (ডব্লিউজিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সোনার বাজার নিয়ে বড় সতর্ক বার্তা এসেছে। সংস্থাটি বলছে, মার্কিন অর্থনীতি শক্তিশালী থাকলে এবং সুদের হার কমাতে দেরি হলে আগামী দিনে সোনার দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা, ডলারের দুর্বলতা এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে সোনার বাজারে নতুন হিসাব-নিকাশ শুরু হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মার্কিন কর্মসংস্থানের তথ্য এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৪ দফা সমঝোতার সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করেছে। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে স্ট্রেইট অব হরমুজ দিয়ে তেল ও পণ্যের পরিবহন স্বাভাবিক হতে পারে। এতে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
তেলের দাম কমলে মূল্যস্ফীতিও কমতে পারে। এর ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর পথে হাঁটতে পারে। সাধারণত সুদের হার কমলে বিনিয়োগকারীরা সোনায় বেশি বিনিয়োগ করেন।
সম্প্রতি অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত কমার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিনিয়োগকারীদের নজর রয়েছে মার্কিন নন-ফার্ম পেরোল (এনএফপি) প্রতিবেদনের দিকে। এই তথ্য প্রত্যাশার তুলনায় দুর্বল হলে সুদের হার কমতে পারে, যা সোনার দামে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে কর্মসংস্থানের তথ্য শক্তিশালী হলে ডলার আরও শক্তিশালী হতে পারে। ফলে সোনার দামের ওপর চাপ বাড়তে পারে।
নিউজ১৮ তেলেগুর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬৬০ ডলার থেকে ৪ হাজার ৭৪২ ডলারের মধ্যে রয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৯৬ হাজার থেকে ৪ লাখ রুপি।
আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৪৩০ ডলার থেকে ৫ হাজার ৪৮০ ডলারের মধ্যে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী মাসে এই দাম ৪ হাজার ৫০০ ডলার থেকে ৫ হাজার ৫৭০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে।
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। গোল্ড ইটিএফে ধারাবাহিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ সোনা কেনা দামের বড় সমর্থন হিসেবে কাজ করেছে। যদিও অতিরিক্ত দামের কারণে গয়নার চাহিদায় কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
সুইস ব্যাংক ইউবিপির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৬ হাজার ডলারে পৌঁছতে পারে। জেপি মরগ্যানের ধারণা, ২০২৬ সালের শেষে এই দাম প্রায় ৫ হাজার ডলার হতে পারে। গোল্ডম্যান স্যাক্সও তাদের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৪০০ ডলার প্রতি আউন্স নির্ধারণ করেছে।
তবে ডব্লিউজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি মার্কিন অর্থনীতি শক্তিশালী থাকে, ডলার ফের মজবুত হয় এবং দীর্ঘ সময় সুদের হার কমানো না হয়, তাহলে সোনার ব্যাপক দরপতন ঘটতে পারে। মূল্যবান ধাতুটির দা প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।
এদিকে ডব্লিউজিসির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি সোনা বিক্রি করেছে তুরস্ক। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক একাই ৬০ টন বিক্রি করেছে। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে ছেড়েছে ১৪ টন সোনা। এছাড়া আজারবাইজানের সরকারি তহবিল ‘স্টেট অয়েল ফান্ড অব আজারবাইজান’ এক প্রান্তিকে মোট ২২ টন সোনা বিক্রি করেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।