‘সেকশন ১২২’ শুল্ক সংক্রান্ত আদালতের সাম্প্রতিক একটি রায়ের বিরুদ্ধে গত ৮ মে আপিল করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এই পদক্ষেপের ফলে আমদানির ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ শুল্কের ভবিষ্যৎ এবং ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারকদের রিফান্ড বা অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হলো।
আদালতের আগের রায়ে ঢালাওভাবে এই ১০ শতাংশ শুল্ক আদায় স্থগিত করা হয়নি। বরং ওই রায়টি ছিল শুধুমাত্র মামলায় জড়িত তিন জন বাদীর উপস্থাপিত সুনির্দিষ্ট দাবি ও যুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে, আপিল প্রক্রিয়া চলাকালীন অধিকাংশ আমদানিকারকের জন্য এই শুল্ক বহাল থাকছে।
যদি প্রশাসনের আপিল গৃহীত হয়, তবে আমদানিকারকদের পক্ষে ইতোমধ্যে পরিশোধিত ১০ শতাংশ শুল্ক ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে আপিল খারিজ হয়ে গেলে, মামলার বাদীসহ একই ধরনের দাবি থাকা অন্যান্য আমদানিকারকরা রিফান্ড বা অর্থ ফেরতের আবেদন করার যোগ্য বলে বিবেচিত হতে পারেন।
শিল্প পর্যবেক্ষকদের মতে, এই আপিলের ফলাফল সেকশন ১২২-এর অধীনে শুল্ক রিফান্ডের জন্য আবেদনকারী বা প্রস্তুতি গ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে। চূড়ান্ত এই সিদ্ধান্ত চলমান বাণিজ্য নীতি এবং আমদানিনির্ভর ব্যবসাগুলোর আর্থিক ঝুঁকির বিষয়টিকেও প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

