বিজ্ঞাপন Walton Refrigerator Freezer Offer
পত্রিকার পাতা
ঢাকাসোমবার , ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. উদ্যোক্তা
  5. কর্পোরেট
  6. কৃষি ও প্রকৃতি
  7. ক্যাম্পাস-ক্যারিয়ার
  8. খেলাধুলা
  9. চাকরির খবর
  10. জাতীয়
  11. তথ্যপ্রযুক্তি
  12. তারুণ্য
  13. ধর্ম
  14. পর্যটন
  15. প্রবাস
আজকের সর্বশেষ সব খবর

বলধা গার্ডেনের দুই উদ্ভিদ

Main Admin
আগস্ট ১৫, ২০২৪ ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা শহরের ওয়ারী এলাকায় অবস্থিত প্রাচীন উদ্যান বলধা গার্ডেন। ভাওয়াল জমিদার নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ১৯০৯ সালে এই বাগান ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৬ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় সফরকালে ভীষণ ব্যস্ততার মধ্যে এই বাগান দেখতে এসেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বলধা গার্ডেন দেখে কবিগুরুর মন্তব্য ছিল, ‘নরেন, কালি কলম দিয়ে আমি সারা জীবন যা করেছি, তুমি গাছপালা দিয়ে তাই করে চলেছ।’

যেখানে বিরল উদ্ভিদের সন্ধান পেয়েছেন, হোক সে পৃথিবীর দূরতম প্রান্তে, অকাতর অর্থ ব্যয়ে তা সংগ্রহ করেছেন নরেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী।

চলতি বছরের ৩০ মে গিয়েছিলাম বলধা গার্ডেনে। বলধা গার্ডেনের সিবিলি অংশের প্রধান ফটক দিয়ে সোজা একটু এগিয়ে যেতেই হাতের ডান দিকে চোখে পড়ল ডাকুর ও লেমোনিয়ার।

এটি গুল্মজাতীয় গাছ। ফুল নয়নতারার মতো। গাছটিই ডাকুর। স্নিগ্ধ ফুলটি নয়নতারার নিকট সম্পর্কীয়। সারা বছরই শাখার অগ্রভাগে থোকায় থোকায় ডাকুর ফুল ফোটে। অনেক ফুল একসঙ্গে দেখতে তারার মতো মনে হয়। এ ফুলের সৌন্দর্য অনন্য। ডাকুর চিরসবুজ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম কপসিয়া ফ্রুটিকোসা। এটি অ্যাপোসাইনেসি পরিবারের সদস্য। এই ফুল ইংরেজিতে সার্ব ভিনেকা, পিংক কপসিয়া এবং পিংক গার্ডেনিয়া নামে পরিচিত। ডাকুর মূলত ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের ফুল। ডাকুর ফুলের আরেক নাম কাঠ মালতী। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই গাছটিতে হালকা গোলাপি রঙের ফুল তারার মতো জ্বলজ্বল করে।

ঝোপজাতীয় এ গুল্মকে বাড়তে দিলে চার মিটারের মতো লম্বা হতে পারে। অবশ্য কেটে-ছেঁটে পছন্দমতো গাছের আকার দেওয়া যায়। ডাকুরের গাঢ় সবুজ পাতা চোখ বা নৌকা আকৃতির। পাতায় শিরাগুলো সহজেই নজরে পড়ে। ডিম্বাকার পাতার অগ্রভাগ এবং পেছনের দিকটা সুচালো। খুব শক্ত সে পাতা বের হয় জোড়ায় জোড়ায়। ফুলগুলো গুচ্ছবদ্ধ, হালকা গোলাপি বর্ণের। ফুলের পাপড়ি হয় পাঁচটি, তবে পাপড়ির গোড়ার দিকে গাঢ় গোলাপি। ফুলের পাঁচটি পাপড়ি সমানভাবে সাজানো। নবীন ফুল অনেকটা সাদাটে গোলাপি। আবার বাসি ফুল সাদা রং ধারণ করতে থাকে। তবে ফুলের কেন্দ্রে সব সময় গাঢ় গোলাপি রং থেকেই যায়। দেখতে অনেকটা নয়নতারা ফুলের মতো। নয়নতারা ফুলেরও একই রকম পাঁচটি পাপড়ির কেন্দ্রে অন্য একটি রং দেখা যায়। গাছে ফুল থাকে অনেক দিন।

বাংলাদেশের আবহাওয়া এই ফুল চাষের উপযোগী হলেও চাষ খুব বেশি হয়নি। সচরাচর সব বাগানে এটা দেখা যায় না। ঢাকার মিরপুরে জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানে এবং বলধা গার্ডেনে গেলেই এই ফুলের স্নিগ্ধ পরশ পেতে পারেন। এ ছাড়া বাংলা একাডেমি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা প্রাঙ্গণে ডাকুরগাছ রয়েছে।

 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।