উদ্যোক্তা পত্রিকার সার্বিক তত্ত্বাবধানে সি-ফুডের স্বাদ এখন ঢাকার মিরপুরে আয়োজনে নাহার কুকিং ওয়ার্ল্ড ও মেঘনা উদ্যোক্তা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। ঘরে বসে সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ পেতে ট্রেনিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে-
রেসিপির নাম:
১. সি-ফুড মাচ্ছি বিরিয়ানি
২. ক্রিসপি ফ্রাইড অক্টোপাস
৩.সি-ফুড ডিপিং সস
৪. স্পাইসি সি-ফুড বয়েল
৫.সি-ফুড গার্লিক বয়েল বাটার সস
৬. ফ্রাইড কালামারি
৭.মারিনারা সস
৮. সি-ফুড বারবিকিউ প্ল্যাটার
৯. ওরিয়েন্টাল থাই সি-ফুড নুডুলস
১০.সি- ফুড মেয়নেজ
ঠিকানা: মিরপুর
ট্রেইনার : হাসিনা আনছার নাহার।
আয়োজক কুমকুম ফকির Kumkum Fakir ও বিশেষ সহযোগিতায় আলপনা খান
অনুষ্ঠানটির স্পনসার হিসেবে আছেন:
১. ভার্সাইল ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল
২. পিয়াল সাব্বির ওভারসিজ
৩. কিউর পয়েন্ট মেডিকেল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
বাংলাদেশে সি ফুড প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে কারণ এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশে এবং সঠিক পদ্ধতিতে সামুদ্রিক খাবার তৈরি ও পরিবেশনের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, যা খাদ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এই প্রশিক্ষণগুলো খাদ্য শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে সি ফুডের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
খাদ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ:সি ফুড প্রশিক্ষণগুলো কর্মীদের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের পদ্ধতি শেখায়। এটি খাদ্যে ভেজাল রোধ, রোগের বিস্তার প্রতিরোধ এবং ভোক্তা নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি:প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও সুস্বাদু পদ তৈরির বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে জানতে পারে। এতে তারা খাদ্য শিল্পে আরও বেশি পারদর্শী হয়ে ওঠে।
শিল্পের চাহিদা পূরণ:দেশের খাদ্য শিল্পে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা রয়েছে। সি ফুড প্রশিক্ষণ এই চাহিদা পূরণে সাহায্য করে এবং কর্মীদের পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করে।
বৈশ্বিক বাজারের চাহিদা:আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের সি ফুডের চাহিদা বাড়ছে। প্রশিক্ষণ এই চাহিদা মেটাতে এবং বাংলাদেশের সি ফুডকে বিশ্ববাজারে আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ করে তুলতে সহায়ক।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন:উন্নত মানের সি ফুড উৎপাদন ও রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সিফুডের চাহিদা বিশ্বব্যাপী বাড়ছে, কারণ এটি প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস, যা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনে সহায়তা করে। বাংলাদেশেও সিফুডের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে শহরাঞ্চলে রেস্তোরাঁগুলোতে এবং উৎসবগুলোতে এর ব্যবহার বাড়ছে।
সিফুডের চাহিদার কারণ:
পুষ্টিগুণ:
সিফুড জিংক, আয়রন এবং সেলেনিয়ামের মতো খনিজ উপাদান এবং প্রোটিনের একটি বড় উৎস, যা মানবদেহের জন্য অপরিহার্য।
স্বাস্থ্য উপকারিতা:
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিফুড হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি:
সিফুড ভোজনরসিকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এবং নানা ধরনের সিফুড, যেমন কাঁকড়া, লবস্টার ও অক্টোপাস এখন সহজলভ্য হচ্ছে, যা এর চাহিদাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব:
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়তা করে, সময় নিউজ।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চাহিদা:
বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে মাছ ও সিফুড একটি বড় উৎস।
শহরাঞ্চলে, বিশেষ করে ঢাকাতে, সিফুডের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং উৎসবগুলোতে সিফুড ডিশের আয়োজন করা হচ্ছে।
আগে যেখানে শুধু সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যেত, এখন নানা ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী, যেমন কাঁকড়া, অক্টোপাস, লবস্টার ইত্যাদিও খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে,
সি ফুডের আদ্যোপান্ত কাজেই মাছ, মাংস ও ডিমের পাশাপাশি সামুদ্রিক খাবার হতে পারে প্রোটিনের চাহিদা মেটানোর একটি বড় উৎস। খাবারের পাতে ৮৫ গ্রাম সামুদ্রিক মাছ মানবদেহে জিং তৈরিতে ভূমিকা পালন করে
অনেক সামুদ্রিক মাছ দেশের বাজারে প্রচলিত থাকলেও বিদেশের বাজারে সব মাছের চাহিদা রয়েছে।
বিশ্বব্যাপী সমাদৃত সামুদ্রিক মাছ বা সি ফিশের চাহিদা বেড়েছে বাংলাদেশেও …
‘২০৩০ সালের মধ্যে সি ফুডের রফতানি বাজার দাঁড়াবে ৫ মিলিয়ন ডলার
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সিফুটের গুরুত্ব অংশীকার্য

