গফরগাঁওয়ে আবারও জেগে উঠেছে গণআন্দোলনের প্রাণচাঞ্চল্য। রাজনীতির মাঠে নতুন আশার প্রতীক হয়ে উঠেছেন প্রয়াত জনপ্রিয় সংসদ সদস্য ও গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আলহাজ্ব ফজলুর রহমান সুলতান–এর একমাত্র সুযোগ্য সন্তান মুশফিকুর রহমান।
তিনি বর্তমানে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক। পাশাপাশি ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে স্থানীয় বিএনপি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন।
🏛 পিতার উত্তরসূরি, ত্যাগ ও আদর্শের ধারক
মুশফিকুর রহমানের পিতা, মরহুম আলহাজ্ব ফজলুর রহমান সুলতান ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
১৯৩০ সালের ২ জানুয়ারি গফরগাঁও উপজেলার জন্মজয় গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম বুনিয়াদি পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি ছিলেন সমাজসেবায় নিবেদিতপ্রাণ এবং মেহনতি মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু।
তার পিতা জোবেদ আলী ছিলেন এলাকার সম্মানিত জমিদার ও সমাজহিতৈষী।
২০১৫ সালের ৬ এপ্রিল ঢাকার ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই মহান নেতা ইহধাম ত্যাগ করেন।
তার জানাজায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করেছিল—“ফজলুর রহমান সুলতান ছিলেন গফরগাঁওয়ের অভিসাংবেদিত ও সর্বজনপ্রিয় নেতা।”
🌾 জনতার নেতা, মাঠে-ময়দানে মুশফিকুর রহমান
বর্তমানে তারই সুযোগ্য সন্তান মুশফিকুর রহমান রাজনীতির মাঠে দিন-রাত ছুটে বেড়াচ্ছেন।
মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, অসহায়দের সহায়তা, তৃণমূল সংগঠনের ঐক্য রক্ষা—এসব নিয়েই তার রাজনীতি।
এলাকার মানুষের মুখে একটাই কথা—
> “মুশফিকুর রহমান শুধু রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের পরিবারের একজন। তার বাবার মতোই তিনি আমাদের পাশে থাকেন।”
গফরগাঁওয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা গেছে, তরুণ ভোটার থেকে প্রবীণ সমাজ—সবার মুখে ধানের শীষ প্রতীকের জয়ধ্বনি। মানুষ বলছে, তারা ধানের শীষ মুশফিকুর রহমানের হাতেই তুলে দিতে চান।
📣 হাইকমান্ডের প্রতি আহ্বান
গফরগাঁওয়ের সাধারণ মানুষ, তৃণমূল নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এক সুরে বলছেন—
> “মুশফিকুর রহমানই ফজলুর রহমান সুলতানের প্রকৃত উত্তরসূরি। বিএনপি হাইকমান্ড যেন আসন্ন নির্বাচনে তাকেই ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেন।”
🗣 মুশফিকুর রহমানের অঙ্গীকার
নিজ এলাকার মানুষের প্রতি অগাধ ভালোবাসা প্রকাশ করে তিনি বলেন—
> “আমি আমার পিতার পথে হাঁটছি। গফরগাঁওয়ের মানুষের ভালোবাসাই আমার আসল শক্তি। তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়ব, ইনশাআল্লাহ।”

