আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ আসন ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী, মানিকনগর, দনিয়া ও মাতুয়াইল)-এ বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)-এর মহাসচিব মো. তমিজ উদ্দিন টিটু।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গ্রেটার নোয়াখালী অধ্যুষিত এই আসনে টিটু সাহেবের রয়েছে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জনসংযোগ, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, যা তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় সুস্পষ্টভাবে এগিয়ে রেখেছে।
ছাত্রজীবনে তিনি জাসদ ছাত্রলীগের জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতা ছিলেন এবং পরবর্তীতে এলডিপির যুব সংগঠন “গণতান্ত্রিক যুবদল”-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে উত্থান ঘটান। বর্তমানে তিনি ১২-দলীয় জোটের কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় থেকে তিনি বারবার হামলা, মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবু তিনি রাজনীতি থেকে সরে যাননি; বরং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে মাঠে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন ত্যাগী, সৎ ও নির্ভরযোগ্য রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির নেতা নবি উল্লাহ নবি সাম্প্রতিক সময়ে ইমেজ সংকটে আছেন। সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ বয়সজনিত কারণে রাজনীতিতে তেমন সক্রিয় নন। অন্যদিকে তাঁর পুত্র রবিন সরকার ইতোমধ্যে ঢাকা-৪ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দলের হাইকমান্ড থেকে “গ্রিন সিগনাল” পেয়েছেন। ফলে একই পরিবার থেকে দুইজনকে মনোনয়ন না দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
এমন প্রেক্ষাপটে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের নীতিনির্ধারক মহলে এখন মো. তমিজ উদ্দিন টিটু-র নামই সবচেয়ে আলোচিত।
গ্রেটার নোয়াখালী অধ্যুষিত ঢাকা-৫ আসনে তিনি মনোনয়ন পেলে ধানের শীষ প্রতীকে এই আসনে বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব বলে দলীয় নেতাকর্মীদের বিশ্বাস।
রাজনৈতিক মহলের ভাষায়—
> “বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব মো. তমিজ উদ্দিন টিটু শুধু একজন সংগঠক নন, তিনি আন্দোলন, আদর্শ ও ত্যাগের প্রতীক। তাঁকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিলে এটি হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের জন্য একটি কৌশলগত ও বাস্তবসম্মত জয়ী সিদ্ধান্ত।”

