বর্ষার আগমনে গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই সময় বাড়ে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি। অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু দ্রুত বংশবিস্তার করে। ফলে খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ বা প্রস্তুত না করলে তা সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বর্ষাকালে পরিবারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।
১. রান্নাঘর সব সময় পরিষ্কার রাখুন
খাবার নিরাপদ রাখতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রান্নাঘরের বিকল্প নেই। রান্নার আগে রান্নাঘরের টেবিল, কাটিং বোর্ড, ছুরি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ভালোভাবে পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত করুন। নিয়মিত গরম পানি ও উপযুক্ত জীবাণুনাশক দিয়ে রান্নাঘরের মেঝে ও ব্যবহৃত স্থান পরিষ্কার রাখুন। এতে খাবারে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে।
২. রান্নাঘরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন
রান্নার বাসনপত্র ব্যবহারের পর ভালোভাবে ধুয়ে সম্পূর্ণ শুকিয়ে সংরক্ষণ করুন। ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার করুন এবং অন্তত দুই সপ্তাহ পরপর ডিফ্রস্ট করুন। আর্দ্র আবহাওয়ায় অপরিষ্কার বাসনপত্র বা ফ্রিজে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক দ্রুত জন্মাতে পারে। তাই নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা প্রয়োজন।
৩. খাবার সংরক্ষণে বাড়তি সতর্ক থাকুন
বর্ষাকালে খাবার দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় বাইরে না রেখে প্রয়োজন হলে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। বাসি বা গন্ধ পরিবর্তন হওয়া খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এ সময় সামান্য অসতর্কতাও ডায়রিয়া, ফুড পয়জনিংসহ বিভিন্ন পেটের সমস্যার কারণ হতে পারে। তাই নিরাপদ উপায়ে খাবার সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

