হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় পর্যটকদের হাতে হাতে ফুল মুগ্ধতা হারাচ্ছে দেওন্দি চা বাগানের বৃহৎ শাপলার বিল।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নতুন রূপে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রঘুনন্দন গভীর অরণ্যের দেওন্দি চা বাগানের শাপলার বিল।ইতিমধ্যেই জেলা জোড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ বিল।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য,দায়িত্বহীনতা ও উন্মুক্ত হওয়ার সুবাদে পর্যটকদের হাতে হাতে ফুল ছেড়ার ধুম পড়েছে। ফলে রীতিমতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এ শাপলা বিলের দৃশ্য।
ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা স্বাধীনতার স্মৃতিরাজ্য ও স্মৃতিবিজড়িত সৈয়দ নাসির উদ্দীন সিপাহসালার মুড়া বন্দ ১৬০ আউলিয়ার মাজার,পরীর বিল,গোগাউড়া দীঘি ইত্যাদি।এই সৌন্দর্য ও বিলগুলোকে কেন্দ্র করেই ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এখন ‘শাপলার রাজ্য’ নামে পরিচিত দেওন্দি শাপলার বিল।দেখা যায় শরৎতের আগমণে শীতের শুরু পর্যন্ত লাল শাপলা তার মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য ছড়িয়ে সবাইকে আকর্ষন করে। শাপলার বিল ঘোরার পাশাপাশি চারিদিকে ঘেরা পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য সহজে কেড়ে নেয় পর্যটকদের মন।
এতে করে শীতের সিজনে শাপলার বিল ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য অন্যতম একটি স্পট হয়ে উঠেছে শাপলার বিল | কারন শীতের সকালে ফুলে ফুলে লাল হয়ে যায় শাপলার বিল আর কুয়াশার চাদরে মোড়া লাল শাপলার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসা পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত সময়।
শাপলার রূপে মুগ্ধ হয়ে ঘুরতে আসা পর্যটকদের অনেকে বলেন যেকোন পর্যটকদের জন্য শাপলা বিল আকর্ষণীয় একটি স্থান।এখানে ঘুরতে না আসলে বুঝতেই পারতাম না যে অত্যন্ত সুন্দর একটি স্থান চুনারুঘাট উপজেলা তথা শাপলার বিল।যে কোন পর্যটকমহল এখানে আসলে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে।পারে দূরের পাহাড়, সোনালি আকাশ আর পাখির কিচির মিচির ডাক, এ যেন পৃথিবীর অপূর্ব এক টুকরো সৌন্দর্য রাজ্য।
এছাড়াও একাধিক পর্যটক বলেন শাপলার অপরূপ সৌন্দর্য্য উপভোগ করার মত,তবে অনেকেই এ সৌন্দর্য কে টেনেটুনে শাপলা সংগ্রহ করতে গিয়ে নষ্ট করে ফেলছে।কারও দ্বারা যেনও এ সৌন্দর্য্য নষ্ট না হয় আপনাদের লক্ষ রাখতে হবে।
এ বিলসহ গভীর অরণ্যে নতুন ব্রিজ থেকে চুনারুঘাট বাজার হয়ে,আবার বিশ্বরোড ধরে শানখলা দেওন্দি,লালচাঁন পানছড়ি রিসোর্ট হযে সিএনজি অথবা লেগুনা,অটোরিকশা করে যেতে পারেন শাপলার বিল।
নিরাপত্তা ও সংরক্ষণে চা বাগান কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আগত পর্যটকগণ।


